বেলঘড়িয়ায় ছাত্র বিক্ষোভ

Update: September 22, 2012 12:27 IST

ছাত্র বিক্ষোভে উত্তপ্ত হল বেলঘড়িয়ার নারুলা ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি। ক্যাম্পাসিংয়ের দাবিতে শুক্রবার বিকেল থেকে সংস্থার অধ্যাপকদের ঘেরাও করে রাখে ছাত্ররা। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই কোনও ক্যাম্পাসিং হচ্ছে না ইন্সটিটিউটে। কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানিয়েও লাভ হয়নি। শেষ পর্যন্ত ক্যাম্পাসিংয়ের লিখিত প্রতিশ্রুতির দাবিতে গতকাল তারা ঘেরাও শুরু করে।

শুক্রবার রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিসবাহিনী। পুলিস ইন্সটিটিউটের গেট খোলার চেষ্টা করে। তার জন্য ঘটনাস্থলে ক্রেনও আনা হয়। কিন্তু ছাত্র বিক্ষোভের জেরে শেষ পর্য়ন্ত পিছু হটে পুলিস। ঘেরাও এখনও চলছে। এলাকায় মোতায়েন রয়েছে পুলিসবাহিনী।

Post Your Comment

Total Comments:1

good....atar dorkar chilo.....

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।