ছাত্র সংঘর্ষ ঘিরে উত্তেজনা বিভিন্ন জেলায়

Update: January 6, 2013 09:02 IST

দফায় দফায় ছাত্র সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে শনিবার উত্তেজনা ছড়াল বেশ কয়েকটি জেলায়। কলেজ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র তোলা নিয়ে সংঘর্ষ বাধে বর্ধমানের খান্দরা কলেজ, বাঁকুড়ার শালতোড়া, খ্রিষ্টান এবং সোনামুখী কলেজে। বাঁকুড়ার তিনটি কলেজে আহত হন বেশ কয়েকজন। অন্যদিকে নরসিংহ দত্ত কলেজের অধ্যক্ষকে হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। শনিবার বর্ধমানের অন্ডাল থানার খান্দরা কলেজে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে জড়ায় এসএফআই এবং টিএমসিপি। প্রথমে দু পক্ষের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। সেখান থেকে পরে সংঘর্ষের সূত্রপাত। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিস।

কলেজ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র তোলাকে কেন্দ্র করে ছাত্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বাঁকুড়ার শালতোড়া, খ্রিষ্টান এবং সোনামুখী এই তিন কলেজে। তিনটি কলেজেই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সমর্থকরা এসএফআই সমর্থকদের মনোনয়ন পত্র তুলতে বাধা দেয় বলে অভিযোগ। এমনকি বহিরাগতদের সঙ্গে নিয়ে এসএফআই সমর্থকদের মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ।

যদিও তাদের বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন টিএমসিপি সমর্থকরা।

অন্যদিকে ১০ জানুয়ারির আয়োজিত একটি ক্যাম্প ঘিরে হাওড়ার নরসিংহ দত্ত কলেজের অধ্যক্ষকে হুমকির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। এমনকি বিষয়টি মেটাতে হস্তক্ষেপ করতে হয় রাজ্যের এক মন্ত্রীকেও।

 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।