পুলিসের গুলির পর নতুন করে উত্তপ্ত কোলাপুর

Update: November 14, 2012 18:18 IST

আন্না হাজারের সমর্থন পেয়ে নতুন করে আন্দোলনে নামল মহারাষ্ট্রের কোলাপুরের আখ চাষীরা। তবে সেই আন্দোলন অবশ্য হিংসার আকার নিল। আর এতে মহারাষ্ট্রের কোলাপুরের দিওয়ালিতে নেমে এল অনিশ্চিয়তার অন্ধকার। যেখানে দিনের শেষে শুধুই পড়ে থাকল চাষীদের হাহাকার, আগুনে পোড়া পুলিসের জিপ, আর ভাঙাচোড়া বাস। যেখানে এখনও কান পাতলে দিওয়ালির শব্দবাজির বদলে শোনা যাবে পুলিসের গুলির শব্দ।

আখের দাম নির্ধারণে সরকার গৃহীত `এমসিপি` নীতিতে পরিবর্তন আনার দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে কোলাপুরের আখ চাষীরা। কিন্তু সেই আন্দোলন আলাদা মাত্রা পেয়ে যায় পুলিসের গুলি চালানোর পর। পুলিসের গুলি চালানোয় নিহত হয় এক আন্দোলনকারী। তার ওপর আবার গ্রেফতার করা হয় আন্দোলনরত আখচাষীদের প্রধান নেতা রাজু শেঠিকে। এ দিকে আন্না হাজারে এই গুলি চালানোর তীব্র নিন্দা করে আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন। এরপরই বুধবার নতুন করে আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনের কর্মসূচী হিসাবে জেলার বিভিন্ন রাস্তা অবরোধ করা হয়। কিন্তু ঝামেলা শুরু হয় পুলিস সেই রাস্তা অবরোধ সরাতে গেলে। পুলিসের সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে আন্দোলনকারীরা। বাসে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়, পুলিসের ভ্যানেও জনতার রোষ থেকে বাদ যায়নি। তবে আগের দিনের চেয়ে পুলিস অনেকটাই সংযত ছিল।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।