বিক্ষোভের মুখে বাগান কর্তারা, ক্রীড়ামন্ত্রীর সমর্থন

Update: December 29, 2012 18:16 IST

আই লিগ থেকে নির্বাসনের পর মোহনবাগান সমর্থকরা ক্ষোভে ফেটে পড়লেন। ক্লাব কর্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ একেবারে চরমে উঠল। মোহনবাগান ক্লাব চত্ত্বরে কয়েকশো সমর্থক মুখে কালো কাপড়, স্লোগান তুলে কর্তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ দেখান। এমনকী ক্লাবে ঢুকতেও বাধা পান সচিব অঞ্জন মিত্র। বাদ যাননি অর্থ সচিব দেবাশিষ দত্তও। ফেসবুকেও বেশ কয়েকজন মোহন সমর্থককে ক্লাব কর্তাদের বিরুদ্ধে সরব হলেন।

ক্লাব তাঁবুতে সমর্থকদের বিক্ষোভ যখন তুঙ্গে, তখন ক্লাব সচিব সাংবাদিক সম্মেলনে জানিয়ে দিলেন ফেডারেশনের ১৭ পাতার রিপোর্ট তারা হাতে পেয়েছেন। ক্লাবে বৈঠকের পরই পরবর্তী পদক্ষেপ ঠিক করা হবে। রায় নিয়ে আইনজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলা হবে বলেও জানান অঞ্জন মিত্র। বিতর্কে ডার্বি ম্যাচে দল তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল বলেও জানিয়েছেন সবুজ মেরুন সচিব। শাস্তি পুর্নবিবেচনা করতে ফেডারেশনকে অনুরোধও করা হল।
ব্যাথিত ক্রীড়ামন্ত্রী মদন মিত্র-- ডার্বি কাণ্ডে মোহনাবাগান দোষী সাবস্ত্য হওয়ায় ব্যাথিত ক্রীড়ামন্ত্রী মদন মিত্র। মোহনবাগানের শাস্তির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আবেদন করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। ডার্বি ম্যাচে মোহনবাগানের দল তুলে নেওয়াকে সমর্থন জানিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী।






Post Your Comment

Total Comments:1

I am a Mohunbagan Fan.. this Club officials are useless. For them the club suffers. Lets at first Goodbye them. They are using this club as their Father`s property. Anjan Mitra ke club theke bar kare deoa uchit..

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।