গিরের সিংহ গৃহ বদলিয়ে পাড়ি দিল মধ্যপ্রদেশে

গির অরণ্যের একাধিপত্বে এবার ভাগ বসাতে চলেছে মধ্যপ্রদেশের কুনো পালপুর অভয়ারণ্য। সুপ্রিম কোর্ট আজ গিরের কিছু সিংহকে কুনো পালপুরে স্থানান্তরিত করার নির্দেশ দিল। গত কয়েক বছর ধরেই এই সিংহদের নিয়ে তীব্র আইনি লড়াই চলছিল বিজেপি শাসিত গুজরাত আর মধ্যপ্রদেশের মধ্যে। আজ শীর্ষ আদালত রায় দিয়েছে আগামী ছ`মাসের মধ্যেই সিংহদের স্থানান্তরিত করতে হবে। ফলে ফের একটি আইনি যুদ্ধে পরাজিত হলেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

Updated: Apr 15, 2013, 05:14 PM IST

গির অরণ্যের একাধিপত্বে এবার ভাগ বসাতে চলেছে মধ্যপ্রদেশের কুনো পালপুর অভয়ারণ্য। সুপ্রিম কোর্ট আজ গিরের কিছু সিংহকে কুনো পালপুরে স্থানান্তরিত করার নির্দেশ দিল। গত কয়েক বছর ধরেই এই সিংহদের নিয়ে তীব্র আইনি লড়াই চলছিল বিজেপি শাসিত গুজরাত আর মধ্যপ্রদেশের মধ্যে। আজ শীর্ষ আদালত রায় দিয়েছে আগামী ছ`মাসের মধ্যেই সিংহদের স্থানান্তরিত করতে হবে।
ফলে ফের একটি আইনি যুদ্ধে পরাজিত হলেন গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। চোরা শিকারের পাশে পাশে কোনও রকম বিভিন্ন কারণে এই সিংহদের জেনেটিক ফিটনেসও কমে আসছিল। ফলে সার্বিক ভাবেই এই সিংহরা বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীতে পরিণত হয়েছে। এই সিংহদের সংরক্ষণের জন্য বিজ্ঞানী ও পরিবেশবিদরা বেশ কিছুদিন ধরেই গিরের সিংহদের কুনো পালপুরে স্থানান্তরিত করার আবেদন জানিয়েছিলেন। `সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্ট` নামক একটি সংস্থা শীর্ষ আদালতে এই নিয়ে আবেদন করেন। এতদিন এশিয়ার মধ্যে শুধুমাত্র গুজরাতেই দেখা মিলত সিংহদের।
গুজরাতের পর্যটনের অন্যতম আকর্ষণ এই এসিয়াটিক লায়ন`। কোনও ভাবেই মোদীর সরকার চায়নি এই গৌরবে প্রতিবেশী রাজ্য ভাগ বসাক। যদিও আদালতে যুক্তি হিসাবে গুজরাতের তরম থেকে জানানো হয় পান্না অভয়ারণ্যে মধ্যপ্রদেশ সরকার বাঘ সংরক্ষণে ব্যার্থ হয়েছে। একই ভাবে তারা গিরের সিংহদের সংরক্ষণেও ব্যর্থ হতে পারে বলে আদালতে গুজরাত সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এর সঙ্গেই উল্টে গুজরাতের তরফ থেকে বলা হয় সিংহদের সংরক্ষণের বিষয়টিতে আদালতের নাক গলানো উচিত নয়। গিরের সিংহদের স্থানান্তরিত করার নির্দেশের সঙ্গেই আজ শীর্ষ আদালত আফ্রিকা থেকে কুনাতে চিতার আমদানি করাতে কেন্দ্রের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে।