গণধর্ষণ মামলা দিল্লি থেকে সরানোর আবেদন নাকচ শীর্ষ আদালতের

Update: January 29, 2013 16:28 IST

দিল্লি গণধর্ষণ মামলা রাজধানীর বাইরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আবেদন আজ নাকজ করে দিল সুপ্রিমকোর্ট।

এই গণধর্ষণ কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত মুকেশের আইনজীবী এমএল শর্মা প্রাথমিকভাবে দিল্লির বাইরে মামলা সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য শীর্ষআদালতের কাছে আবেদন করেন। আবেদনে শর্মা জানান তাঁরা মনে করছেন দিল্লিতে মুকেশ যথাযথ বিচার পাবে না। তাই তাঁরা চান এই মামলা মথুরা বা অন্য কোন স্থানে সরিয়ে নিয়ে যেতে।

কিন্তু এরপরেই মুকেশের পক্ষ থেকে জানানো হয় সে চায় না এমএল শর্মা তাঁর হয়ে এই মামলাটি আর লড়ুক। সেসন জাজের কাছ থেকে এই তথ্য পাওয়ার পর আজ প্রধান বিচারপতি আলতামাস কবীরের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ মামলা স্থানান্তরিত করার বিষয়টি বাতিল করে দেন। তাঁদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে যেহেতু আইনজীবী শর্মা এই মামলাটির সঙ্গে আর জড়িত নেই তাই তাঁর আবেদনও ভিত্তিহীন। মুকেশের নতুন আইনজীবী আনন্দও জানিয়ে দিয়েছেন তিনি মামলাটি দিল্লির বাইরে নিয়ে যেতে চান না।

গত বছরের ১৬ ডিসেম্বর দিল্লির এক চলন্ত বাসে ২৩ বছরের এক তরুণীকে ধর্ষণ করে তার উপর পৈশাচিক অত্যাচার চালায় ৬ জন। এই ঘটনার পর সারা দেশ প্রতিবাদে উত্তাল হয়। দেশজোড়া প্রতিবাদের জেড়ে অভিযুক্ত ৬জনকে দ্রুত গ্রেফতার করে পুলিস। ওই মাসেরই ২৯ তারিখ শেষ পর্যন্ত মারা যায় মেয়েটি।




Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।