আদিবাসীরা রাজ্যে বঞ্চিত: সূর্যকান্ত মিশ্র

Update: December 16, 2012 22:31 IST

রাজ্যের আদিবাসী অধিকার মঞ্চের সমাবেশ থেকে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারকে একযোগে আক্রমণ শানালেন বামেরা। আদিবাসীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন সূর্যকান্ত মিশ্র। অধিকার আদায় করে নিতে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন বিমান বসু। রাজ্যে পালাবদলের পিছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল আদিবাসীদের আন্দোলন। এবার সেই আদিবাসীদের নিজেদের পক্ষে সংগঠিত করতে শুরু করেছে বামেরা। রবিবার রাজ্যের সব অংশের আদিবাসীদের নিয়ে কলকাতায় রানি রাসমণি রোডে একটি কেন্দ্রীয় সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন সূর্যকান্ত মিশ্র এবং বিমান বসু। রাজ্যে আদিবাসীরা বহুক্ষেত্রে তাঁদের অধিকার হারাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন সূর্যকান্ত মিশ্র।

মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, তাঁর শাসনকালে জঙ্গলমহল শান্ত হয়েছে। এ প্রসঙ্গে সূর্যকান্ত মিশ্রর বক্তব্য, সেদিনের মাওবাদীরাই আজ তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা হয়েছে। 
আদিবাসী অধিকার রক্ষা মঞ্চের সমাবেশে সরকারের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন বিমান বসুও। সমাবেশের পর পশ্চিমবঙ্গ আদিবাসী অধিকার মঞ্চ রাজ্য কমিটির তরফে রাজ্যপালের দফতরে বাইশ দফা দাবিতে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

Post Your Comment

Total Comments:1

Left leaders should also give befitting replies to Mamata`s bluff and open threat by her party men at different meetings. It`s proved that Maoists were disguised TMC and they plotted ouster of Left Front Govt. with the help of illegal arms which is now with TMC miscreants.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।