প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতে সু চি, আলোচনায় কূটনীতি

Update: November 14, 2012 11:53 IST

মায়ানমার গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেত্রী আঙ সান সু চি তাঁর ভারত সফরের দ্বিতীয় দিনে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে দেখা করেন। বৈঠকে ভারত-মায়ানমার সম্পর্কের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে দু'জনের মধ্যে। আধিকারিক সুত্রে জানা গিয়েছে, মায়ানমারের রাজনৈতিক সংস্কারের বিষয়ে তাঁদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয়।

তার আগে সকালে তিনি রাজঘাটে গিয়ে গান্ধীজির সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেখান থেকে যান দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জহরলাল নেহেরুর সমাধিস্থল শান্তিবনে।

সু চির বাবা ছিলেন জহরলাল নেহেরুর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। ষাটের দশকে নয়াদিল্লিতে ২৪ নম্বর আকবর রোডের বাড়িতে মায়ের সঙ্গে থাকতেন সু চি। বর্তমানে সেটি কংগ্রেসের সদর দফতর। পণ্ডিত নেহেরুর জন্মদিন উপলক্ষে আজ জওহরলাল নেহেরু স্মারক বক্তৃতা দেবেন দেবেন মায়ানমারের বিরোধী নেত্রী সু চি। 

এরপর উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি, লোকসভার অধ্যক্ষ মীরা কুমার, কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী এবং বিদেশমন্ত্রী সলমন খুরশিদের সঙ্গেও দেখা করার কথা সু চির। বেঙ্গালুরু উড়ে যাওয়ার আগে গুরগাঁওয়ে দ্য এনার্জি অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটও ঘুরে দেখবেন তিনি।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।