মধ্যপ্রদেশে সুইস মহিলা ধর্ষণ কাণ্ড, গ্রেফতার ৫

Update: March 17, 2013 09:10 IST

মধ্যপ্রদেশের দাতিয়ায় সুইস মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগে ধৃতদের মধ্যে পাঁচজন অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছে বলে পুলিস সূত্রে খবর। তাঁদের সকললেই গ্রেফতার করা হয়েছে।


এরাগে এই ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে ২০ জনকে আটক করে পুলিস। শুক্রবার রাতে দাতিয়া শহরের কাছে জঙ্গল ঘেরা এলাকায় তাঁদের ক্যাম্পে হানা দেয় সাত থেকে আট জন অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী। ল্যাপটপ সহ ওই দম্পতির জিনিসপত্র কেড়ে নেওয়ার পাশাপাশি মহিলাকে ধর্ষণ করে তারা। সাইকেলে স্বামীর সঙ্গে ভারত ভ্রমণে বেরিয়েছিলেন সুইজারল্যান্ডের বাসিন্দা ৩৯ বছরের ওই ভদ্রমহিলা। আগ্রা যাওয়ার পথে শুক্রবার মধ্যপ্রদেশের দাতিয়া শহর থেকে আট কিলোমিটার দূরে ঝরিয়া গ্রামে পৌঁছন তাঁরা। জঙ্গল ঘেরা এই এলাকায় রাতে থাকার সিদ্ধান্ত নেন দুজনে। এরপরই দুষ্কৃতী হামলার শিকার হন তাঁরা। মারধর করে ওই দম্পতির জিনিসপত্র কেড়ে নেওয়া হয়। স্বামীর সামনেই সুইশ মহিলাকে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। পরে, তাঁকে গোয়ালিয়রের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছে পুলিস। দুষ্কৃতীদের খোঁজে দাতিয়ার জঙ্গল এলাকায় তল্লাসি চালানো হচ্ছে।

গণধর্ষণের ঘটনায় দোষীদের দ্রুত শাস্তির জন্য মধ্যপ্রদেশ সরকারের পদক্ষেপ দাবি করেছেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন।

গোটা ঘটনায় বিজেপি শাসিত মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের পদত্যাগ দাবি করেছে কংগ্রেস। মধ্যপ্রদেশ সরকারের বিরুদ্ধে ভোপালে বিক্ষোভ দেখায় তারা।

গণধর্ষণের ঘটনায় দোষীদের দ্রুত শাস্তির জন্য মধ্যপ্রদেশ সরকারকে উদ্যোগী হওয়ার আবেদন জানিয়েছে সুইস দূতাবাস। 







Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।