দুবরাজপুর, তেহট্টের ঘটনা অনভিপ্রেত, মানলেন মমতা

Update: November 29, 2012 20:58 IST

তেহট্টের ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্তের সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। তদন্তের স্বার্থে এসডিও, এসডিপিও এবং ওসিকে সরানো হচ্ছে। আজ মহাকরণে এই ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুবরাজপুরে পুলিসের আচরণেও সন্তুষ্ট নয় রাজ্য সরকার।

তেহট্টে গুলি চালানোর ঘটনার বিচার বিভাগীয় তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রী জানান প্রাক্তন বিচারপতি দিলীপ নায়েকের নেতৃত্বে কমিশন গঠন করা হবে। ঘটনায় পুলিসের কেউ দায়ী থাকলে তাঁর বিরুদ্ধেও নিরপেক্ষ তদন্ত হবে বলে দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

দুবরাজপুরের ঘটনার পিছনে কোনও পরিকল্পনা থাকতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।  পুলিসের আরও সহিষ্ণু হওয়া প্রয়োজন ছিল বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নিজে লোবা গ্রামে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন। 

তেহট্টে এসডিপিওর গুলিতে নিহতের পরিবারকে দু`লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ও চাকরির প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে দুবরাজপুরে আহতদের ২৫ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার।





Post Your Comment

Total Comments:1

ERAGE BOLECHILEN TEHOTTA KICHU HOINI OSOB MITHYE KATHA TAHOLE BICHAR BIBHAGIO TADANTO KENO ? EKATHATA GIGYASA KORA KI ANNYA HOBE

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।