তেলেঙ্গানা নিয়ে বৈঠকে প্রণব

দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় আলোচনার পরও তাঁর 'ডেডলাইন' মেনে কাঙ্খিত রফাসূত্রের খোঁজ মেলেনি। এখন রাজধানীর রাজনৈতিক মহলের চোখ, রাতে কংগ্রেস কোর কমিটির বৈঠকের দিকে!

Updated: Oct 8, 2011, 04:57 PM IST

দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় আলোচনার পরও তাঁর 'ডেডলাইন' মেনে কাঙ্খিত রফাসূত্রের খোঁজ মেলেনি। এখন রাজধানীর রাজনৈতিক মহলের চোখ, রাতে কংগ্রেস কোর কমিটির বৈঠকের দিকে!
শনিবার মিডিয়ার মুখোমুখি হয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী জানিয়েছিলেন, সোমবারের মধ্যেই তেলেঙ্গানার অচলাবস্থার অবসান ঘটনোর জন্য কার্যকরী সমাধানসূত্রের সন্ধান মিলতে পারে। এদিন সকাল থেকেই দলীয় ও ক্যাবিনেট সতীর্থদের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রণববাবু। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরম, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা অন্ধ্রপ্রদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত এআইসিসি সাধারণ সম্পাদক গুলাম নবি আজাদ এবং সদ্য কংগ্রেসে যোগ দেওয়া সুপারস্টার-রাজনীতিক চিরঞ্জীবির সঙ্গে আলোচনার পর রায়লসীমা ও উপকূল অন্ধ্রের কয়েকজন কংগ্রেস নেতার সঙ্গে কথা বলে তেলেঙ্গানা বিরোধীদের অবস্থান আঁচ করার চেষ্টা করেন ইউপিএ সরকারের ক্রাইসিস ম্যানেজার। সেপ্টেম্বরের ১৩ তারিখ থেকে পৃথক তেলেঙ্গানা রাজ্যের দাবিতে নতুন করে আন্দোলনে নেমেছে সর্বদলীয় জয়েন্ট অ্যাকশন কমিটি। চলছে, রাজধানী হায়দরাবাদ-সহ তেলেঙ্গানার ১১টি জেলা জুড়ে লাগাতার বনধ, রাস্তা রোকো, রেল রোকো কর্মসূচি। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের ব্যর্থতা ঘিরে ইতিমধ্যেই সমালোচনার ঝড় উঠেছে। সেই সঙ্গে কেশব রাও-সহ তেলেঙ্গানাপন্থী কংগ্রেস নেতাদের প্রকাশ্য বিদ্রোহ যথেষ্ট চাপে ফেলেছে সোনিয়া-মনমোহনদের। সোমবারই তেলেঙ্গানা সমর্থকদের হাতে আক্রান্ত হয় হায়দরাবাদের একটি বেসরকারি কলেজ। শনিবার অন্ধ্রের রাজ্যপাল ইএসএল নরসিমহান এবং রাজ্যের কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী এন কিরণকুমার রেড্ডিকে দিল্লি তলব করে পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রাথমিক ভাবে কংগ্রেস নেতৃত্ব অন্ধ্র বিভাজনের পক্ষে না থাকলেও আন্দোলনের তীব্রতা দেখে নতুন করে পর্যালোচনা শুরু হয়েছে। তেলেঙ্গানা বিরোধীদের বুঝিয়ে, চন্ডিগড় মডেল অনুসরণ করে হায়দরাবাদকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণার কথাও ভাবা হচ্ছে। সেক্ষেত্রে রাজ্য বিভাজন নিয়ে সংঘাত এড়ানো যাবে বলে আশাবাদী কংগ্রেস হাইকম্যান্ড।