আফগানিস্তানে আত্মঘাতী জঙ্গি হামলায় নিহত ১৩

Update: September 2, 2012 13:50 IST

ফের সন্ত্রাসবাদী নাশকতার শিকার হল আফগানিস্তান। শনিবার কাবুলের ন্যাটো দফতরের কাছে দুই আত্মঘাতী জঙ্গির হামলায় ৪ পুলিস কর্মী সহ মৃত্যু হয়েছে ৯ জন সাধারণ মানুষের। গুরুতর আহত কমপক্ষে ৬৮ জন।

শনিবার বিকেলে কাবুলের ওয়ার্দক প্রদেশের সায়েদ আবেদ জেলায় হামলা চালায় দুই জঙ্গি। ওয়ার্দক প্রদেশ সরকারের মুখপাত্র সাহিদুল্লাহ সাহিদ জানিয়েছেন দুই জঙ্গির একজন কোমরে বিস্ফোরক বাঁধা অবাস্থায় প্রাদেশিক আধিকারিকের অফিসের খুব কাছেই নিজেকে উড়িয়ে দেয়। অপর জন ন্যাটো দফতরের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা একটা তেলের ট্যাঙ্কারে বোম ছোঁড়ে। সাহিদুল্লাহ আরও জানিয়েছেন এই হামলায় কোন ন্যাটো কর্মী হত না হলেও সামান্য আহত হয়েছেন ২জন।

তালিবানদের পক্ষ থেকে এই হামলার দায় স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। তবে পুরো ঘটনায় এখন পর্যন্ত ন্যাটোর তরফ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়েনি।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।