রুদ্ধশ্বাস মুম্বই টেস্ট অমিমাংসিত

Update: November 26, 2011 20:51 IST

ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হোয়াইট ওয়াশ করা হল না ভারতের। রুদ্ধশ্বাস, অ্যাথলেটিক্সের ভাষায় যাকে বলে ফটোফিনিশ। ঠিক সেইভাবেই ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের শেষ টেস্টটি অমীমাংসিতভাবে শেষ হল ড্র হয়ে গেল মুম্বই টেস্ট। জয়ের জন্য ভারতের শেষ বলে দরকার ছিল দু`রান। কিন্তু দু`রান নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে যান আর অশ্বিন। ইদানিংকালের সেরা টেস্ট ম্যাচের সাক্ষী থাকল ক্রিকেট বিশ্ব। ভারতের হয়ে নয় উইকেট আর শতরান করে ম্যাচের সেরা হয়েছেন আর অশ্বিন। নিজের অভিষেক সিরিজেই সেরা হয়েছেন তামিলনাড়ুর অফ স্পিনার।

জয়ের জন্য ভারতের সামনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ রেখেছিল ২৪৩ রানের লক্ষ্যমাত্রা। কিন্তু ভারত নয় উইকেট হারিয়ে ২৪২ রানে পঞ্চম দিনের খেলা শেষ করে। ভারতের পক্ষে বীরেন্দ্র সেওয়াগ ৬০ আর বিরাট কোহলি ৬৩ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন। চতুর্থ দিনের শেষেও ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা ধরে নিয়েছিলেন মুম্বই টেস্ট ড্র হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ১৩৪ রান করার পর ভারতীয় দল জয়ের লক্ষ্যে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে।কিন্তু চাপের মুখে ওয়েস্ট ইন্ডিজ বোলাররা যেভাবে ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের চেপে রাখে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। বিশেষ করে, ম্যাচের শেষ দু ঘণ্টা ম্যাচের গতিপ্রকৃতি পেন্ডুলামের মত ঘুরতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ ড্র করে হোয়াইট ওয়াশ এড়ায় ক্যারিবিয়ানরা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।