ফেসবুকে ঠাকরে পোস্ট, ভাঙচুর চালানোর অপরাধে গ্রেফতার ৯

বাল ঠাকরেকে নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য করায় শাহিন দাধার আত্নীয়ের ক্লিনিকে ভাঙচুর চালানোর অপরাধে পালগর থেকে ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে মহারাষ্ট্র পুলিস। তবে এঁরা সকলেই শিব সৈনিক তা এখনও স্পষ্ট নয়। অন্যদিকে, থানে জেলার শিব সেনা প্রধান প্রভাকর রাউল শাহীনকে গ্রেফতারের ঘটনাকে সমর্থন করে বলেন, "বালাসাহেব ঠাকরে আমাদের ঈশ্বর। আমরা কোনও মতেই তাঁর অপমান সহ্য করব না। কোনও শিব সৈনিক এবং কোনও মারাঠি চুপ করে বসে থাকবে না। ফেসবুকে কমেন্টের পিছনে কে ছিল তা পুলিস জানত। তাকে গ্রেফতার করে সঠিক কাজ করেছে পুলিস।" গতকালই শাহীন ধাধার `ফেসবুকে` মন্তব্য করার অপরাধে গ্রেফতার করাকে ঘিরে বিতর্কের ঝড় উঠেছিল বিভিন্ন মহলে। প্রভাকর রাউলের মন্তব্য সেই বিতর্কেই আরও উস্কে দিল বলে মনে করা হচ্ছে।

Updated: Nov 20, 2012, 12:43 PM IST

বাল ঠাকরেকে নিয়ে ফেসবুকে মন্তব্য করায় শাহিন দাধার আত্নীয়ের ক্লিনিকে ভাঙচুর চালানোর অপরাধে পালগর থেকে ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে মহারাষ্ট্র পুলিস। তবে এঁরা সকলেই শিব সৈনিক তা এখনও স্পষ্ট নয়। অন্যদিকে, থানে জেলার শিব সেনা প্রধান প্রভাকর রাউল শাহীনকে গ্রেফতারের ঘটনাকে সমর্থন করে বলেন, "বালাসাহেব ঠাকরে আমাদের ঈশ্বর। আমরা কোনও মতেই তাঁর অপমান সহ্য করব না। কোনও শিব সৈনিক এবং কোনও মারাঠি চুপ করে বসে থাকবে না। ফেসবুকে কমেন্টের পিছনে কে ছিল তা পুলিস জানত। তাকে গ্রেফতার করে সঠিক কাজ করেছে পুলিস।" গতকালই শাহীন ধাধার `ফেসবুকে` মন্তব্য করার অপরাধে গ্রেফতার করাকে ঘিরে বিতর্কের ঝড় উঠেছিল বিভিন্ন মহলে। প্রভাকর রাউলের মন্তব্য সেই বিতর্কেই আরও উস্কে দিল বলে মনে করা হচ্ছে।
গত রবিবার বাল ঠাকরের অন্তিম যাত্রায় স্তব্ধ হয়ে যায় মুম্বই মহানগরী। তার পরেই থানের পালগরের বাসিন্দা ২১ বছরের শাহীন ধাধা ফেসবুকে মন্তব্য করেন, "ঠাকরের মতো ব্যক্তিরা প্রতিদিন পৃথিবীতে জন্ম নেন এবং মারা যান এবং এ নিয়ে বন্‌ধ পালন করা অর্থহীন।" এর পরেই শাহিনের এক আত্মীয়ের অর্থোপেডিক চিকিৎসালয়ে ভাঙচুর চালায় এক দল দুষ্কৃতী। তার ঠিক পরেই শাহিনকে গ্রেফতার হতে হয়। ফেসবুকে তাঁর এই `স্টেটাস` `লাইক` করেন তাঁর বান্ধবী। এই `অপরাধে` ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৯৫-র এ ধারায় ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার অপরাধে এবং ২০০০ সালের তথ্য প্রযুক্তি আইনের ৬৪-র এ ধারায় তাঁদের গ্রেফতার করা হয়। যদিও গ্রেফতার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ১৫ হাজার টাকা জামিনের বিনিময় মুক্তি পান দুজনেই।
গ্রেফতারের ঘটনা প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই সমালোচনার ঝড় ওঠে বিভন্ন মহল থেকে। প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বিচারপতি মার্কণ্ডেয় কাটজু মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী পৃথ্বীরাজ চৌহানকে গ্রেফতারের ঘটনার তীব্র নিন্দা করে চিঠি পাঠান। গ্রেফতারের ঘটনাকে অনর্থক বলে অভিযুক্ত পুলিস অফিসারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন তিনি।