`প্রগাশ` সদস্যদের হুমকির জেরে গ্রেফতার ৩

Update: February 7, 2013 11:01 IST

কাশ্মীরের প্রথম মেয়েদের `প্রগাশ`-এর সদস্যদের অনলাইনে হুমকি দেওয়ায় এখনও পর্যন্ত ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে জম্মু কাশ্মীর পুলিশ। দক্ষিণ কাশ্মীরের বিজবেহরা থেকে তারিক খান, গান্দেরওয়াল থেকে রামিজ শাহকে গ্রেফতার করেছে পুলিসের বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট)। তৃতীয় ব্যক্তির পরিচয় এখনও প্রকাশ করেনি পুলিশ।

হুমকির ঘটনায় যুক্ত অপরাধীদের গ্রেফতার করতে জম্মু কাশ্মীর পুলিসের ডিজি অশোক প্রসাদ কেন্দ্রীয় শাখাগুলির কাছে সাহায্য চেয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। প্রগাশ-এর সদস্যদের বাড়ির পাশে নিরাপত্তারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

পুলিস সূত্রে খবর, এখনও পর্যন্ত ২৬টি আইপি অ্যাডরেসের সন্ধান মিলেছে। এই আইপি অ্যাডরেসগুলি থেকে অভদ্র মন্তব্য, হুমকি পাঠানো হয়। এর পরই আইটি আইনের ৬৬ এ এবং দণ্ডবিধির ৫০৬ ধারায় অভিযোগ জানানো হয়।

গায়িকা-গিটারিস্ট নোমা নাজির, ড্রামার ফারহা দিবা, গিটারিস্ট অনীকা খালিদ, বছর পনেরোর এই তিন কিশোরী গত বছরের ডিসেম্বরে কাশ্মীরের `ব্যাটেল অফ ব্যান্ড`-জিতে নেয়। ভাগ বসায় একচ্ছত্র পুরুষ-ব্যান্ড-সাম্রাজ্যে। তারপর থেকে মোবাইল আর ইন্টারনেটে কদর্য ভাষায় তাদের আক্রমণ করা শুরু হয়।

গ্র্যান্ড মুফতি বসিরুদ্দিন আহমেদ গান গাওয়াকে `অ-ইসলামিক` আখ্যা দিয়ে এই তিন কিশোরীর নামে `ফতোয়া` জারি করেন। সূত্রে খবর এই ফতোয়ার পরেই মানসিক ভাবে বিধ্বস্ত ক্লাস টেনের এই তিনটি মেয়ে গান ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।