কেরালায় পিঁপড়ে ঢাকা অবস্থায় উদ্ধার ধর্ষিত শিশু

Update: March 7, 2013 12:49 IST

কোজিকোরের হাসপাতালের ইনসেনটিভ কেয়ার ইউনিটে জীবনের লড়াই চালাচ্ছে তিন বছরের একটি শিশু। ফুটপাতে মায়ের কোলের ওমে ঘুমোনোর সময় তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে দুষ্কৃতীরা। পরের দিন ভোরে কয়েকজন স্কুল পড়ুয়া পিঁপড়ে মোড়া অবস্থায় উদ্ধার করে তাকে। জ্বরে তখন তার গা পুড়ে যাচ্ছে।

গত দু`দিনের তুলনায় আজ তার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসারত ডাক্তার। তবে অকল্পনীয় আঘাতের দাগ পাওয়া গিয়েছে শিশুটির সারা শরীরে। ভোঁতা অস্ত্রের আঘাতও রয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক্তার।

এখনও পর্যন্ত ১২ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিস। গ্রেফতার হয়নি কেউই।

গত বছরের ডিসেম্বরে দিল্লি ধর্ষণ কাণ্ডের পর নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে উত্তাল প্রতিবাদের ঝড় ওঠে সারা দেশে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে নারী সুরক্ষা নিয়ে অর্ডিন্যান্সও পাস করতে প্রস্তুত সংসদ। তবে নারী নিরাপত্তার অভাবে ভুগতে থাকা গোটা দেশে নতুন বছরেও একটি ছাপিয়ে আরেকটি পাশবিক ধর্ষণ ও শ্লীলতাহানির ঘটনা জানান দিচ্ছে নারী ও নিরাপত্তার মধ্যে দূরত্ব কমতে এখনও বেশ দেরি।

Post Your Comment

Total Comments:4

AR KOBE AMADER LOGGA HOBE. ABAR ABAR ABAR O EK TA . KOBE BONDHO HOBE EI NONGRAMO. SARKAR AR KOBE KHOTHOR HOBE? KOBE DOSI RA SOTHIK SASTHI PABE. AMADER EBER LOGGA HOA UCHIT.SUDHU NARI DER NOE AMADER PURUS DER O AGIYE ESE TUFFEST PROTEST KORTE HOBE. KORTE HOBEI.

Primary Exam will be held on 31st March or not. If not then confirm me

Will you pl give any d news when WBSSC (12th RLST AT ) will be out ???? It is very frustating to wait for long for the result.

WE ALWAYS COMPARE MALE FEMALE RATIO. BUT IF WE GO INTO THE DEPTH, WE SEE THAT THE NUMBER OF FEMALES ARE VERY MUCH EXCESS IN SOCIETY. THESE EXCESS FEMALES LANDS UP IN FALSH TRADING BUSINESS. WE PAY DOURY, BUT WHY? THESE ARE FUNDAMENTAL FACTORS OF DISBALANCED SOCIETY. I RECOMEND ADOPT SOME POLICY TO REDUCE FEMALE POPULATION AND GEAR UP VALUES OF FEMALE POPULATION.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।