কীভাবে ভোট প্রণবকে, বিধায়কদের দেখালেন পার্থ

Update: July 18, 2012 17:15 IST

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক শিবিরে তত্পরতা এখন তুঙ্গে। কী নিয়মে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে, কীভাবে ভোট দিতে হবে, ভোটদানের পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে বুধবার বিধানসভায় বৈঠক করে তৃণমূল কংগ্রেস। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের বেশ কয়েকজন বিধায়ক। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়রা বুঝিয়ে বলেন, কীভাবে ভোট দিতে হবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কী সিদ্ধান্ত নেবেন, তা নিয়ে বেশ কিছুদিন  ধরেই দোলাচলে ছিল তৃণমূল শিবির। কারা কারা গোপনে প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন, তা খুঁজতেও রীতিমতো ব্যস্ত ছিলেন দলের শীর্ষ নেতারা। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর সেই সমস্যা এখন আর নেই। 

অন্যদিকে, তত্পরতা ছিল কংগ্রেস শিবিরেও। অনেক বিধায়কই এসেছিলেন বিধানসভায়। সকলকেই রিপোর্ট করতে হয়েছে প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে গিয়ে। কংগ্রেস শিবিরেও আলোচনার বিষয় একটাই। শেষ মুহূর্তে প্রণববাবুকে মুখ্যমন্ত্রীর সমর্থন। কেন, কী কারণে, তা নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। কংগ্রেস বিধায়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যস্ত দেখা যায় প্রণব মুখোপাধ্যায়ের পুত্র অভিজিত্ মুখোপাধ্যায়কে। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে অভিনন্দন জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীকেও অভিনন্দন জানিয়েছেন অভিজিতবাবু। তবে কংগ্রেস শিবিরে খবর, অভিজিতবাবুর এই ব্যস্ততার পিছনে অন্য অঙ্ক রয়েছে। প্রণববাবু রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর জঙ্গিপুর আসনে তিনি প্রার্থী হলে, যাতে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থন পান সেই চেষ্টাই এখন থেকে শুরু করে দিয়েছেন অভিজিত্ মুখোপাধ্যায়। সব মিলিয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আচমকাই বদলে গিয়েছে পরিষদীয় রাজনীতির চেহারা। রাতে এমএলএ হস্টেলে নৈশভোজের আয়োজন করেছে প্রদেশ কংগ্রেস।  
 





Post Your Comment

Total Comments:1

It is great to see that Didi is supporting Pranab Babu for presedential election.Now we have to see what will be the future of Leftist in Bengal.While they have already tried to make a relation with congress but now their is no problem in UPA II Govt.And also BJP was dreaming about the return of TMC in NDA .Now BJP and Left have gone under coma.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।