বন্দুক উঁচিয়ে হাসপাতালে তৃণমূল নেতা, গ্রেফতার অভিযুক্ত

Update: November 12, 2012 09:51 IST

সিউড়ির একটি নার্সিংহোমে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে তাণ্ডব টালানোর অভিযোগ স্থানীয় তৃণমূল নেতা আশিস দে কে গ্রেফতার করল পুলিস। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠার পরে সোমবার সকালে তিনি নিজেই সিউড়ি থানায় আত্মসমর্পণ করেন। এর পরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এদিনই মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

শুক্রবার রাতে কয়েকজন সঙ্গীকে নিয়ে ওই নার্সিংহোমে তাণ্ডব চালান বীরভূম জেলা তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক আশীস দে। তাঁকে বাধা দিতে গেলে, নার্সিংহোমের এক কর্মচারীর মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেন তিনি। তাণ্ডব চালানোর সেই ছবি ধরা পড়ে নার্সিংহোমেরই ক্লোজ সার্কিট (সিসিটিভি) ক্যামেরায়।

তৃণমূল চিকিত্‍সক সংগঠনের জেলার নেতা দেবাশিস দেবাংশির সঙ্গে আশিস বাবুর বিরোধ দীর্ঘদিনের। শুক্রবার রাতে নার্সিংহোমে চিকিত্‍‍সা করছিলেন দেবাশিস দেবাংশি। অভিযোগ, দেবাশিসবাবুকে নার্সিংহোম থেকে বের করে দিতে গিয়েছিলেন আশিস দে। তার জেরেই গণ্ডগোলের সুত্রপাত।

বীরভূমের সিউড়ি হাসপাতালে তাণ্ডব চালানোয় অভিযুক্ত আশিস দের সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই বলে জানিয়েছেন বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। তিনি বলেন, দু'বছর আগেই দল থেকে আশিস দে কে বহিষ্কার করেছেন স্বয়ং তৃণমূল নেত্রী। সেই বার্তা এসএমএস-এ তাঁকে জানানো হয় বলেও জানিয়েছেন তিনি।






Post Your Comment

Total Comments:4

opekha kore kichu hobe na, tokhon uni bolben eta news media r karsaji. tobe akta probad ache ``pipilikar pakhna gojai moribar tore``, mone hoche ei dotar o ei hal hoeche....

T.M.C dol ta toiri hoyeche ektai sopoth niye. Only maramari, bonduk niye voy dekhano. Aar tmc r aadorsho mamata banerjee jini ekoda bolechilen aamrao gunda control kori.

আসলে আশিস বাবু ক্যাপ পিস্তলের ব্যবসা করছেন দেওয়ালীতে । সেটা নিয়ে বিজ্ঞাপন দিতে এসেছিলেন ।অতি বামরা ষড়যন্ত্র করে ফাঁসিয়েছে ।

EHA KI AMRA SAJANO GHATONA BOLIA DHORE NEBO ? NA BACHHA CHELEDER GHATONA BOLE MENE NO? TRINOMUL HIGH COMMANDER BIBRITIR JONYO OPEKHYA KORBO?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।