সুদ মুকুবের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করলেন তৃণমূল সাংসদরা

Update: April 27, 2012 12:55 IST

রাজ্যের ঋণের সুদ ৩ বছরের জন্য মুকুব এবং ঋণ পুনর্গঠনের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সঙ্গে দেখা করলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদরা। এর আগে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেও একই দাবি করেন তাঁরা। এরপর শুক্রবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন তৃণমূল সাংসদরা।

আগামী ৪ মে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগে কেন্দ্রের ওপর চাপ বাড়াতেই তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদদের এই বৈঠক বলেই মনে করছে রাজনৈতিকমহল। জানা গিয়েছে, রাজ্যের ঋণমকুবের বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার আশ্বাস দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।  

Post Your Comment

Total Comments:2

didi kar dhar apni sodh korben? apnar kono dhar nei.suryakanta babuke balun bara bara katha na bole ei byapartar samadhan karun.

etodin ei sob dabi rajjo er joono na tule Loot-paat ei basto chilo.... Bam diker front er neta ra 24 ghonta dhore.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।