প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত, জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী

Update: April 26, 2012 21:34 IST

রাজ্যের জন্য আর্থিক সাহায্যের দাবি নিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে প্রণব মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করলেন তৃণমূল সাংসদরা। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে আটটায় দিল্লিতে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন তাঁরা। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর কাছে তিন বছরের জন্য সুদ মকুবের দাবি তোলেন তৃণমূল সাংসদরা। যদিও বিষটি নিয়ে একমাত্র প্রধানমন্ত্রী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন প্রণববাবু।

বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সম্প্রতি কেন্দ্রকে পনেরো দিনের সময়সীমা দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর্থিক সাহায্যের দাবি নিয়ে ৪ মে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন তিনি। তার আগে কেন্দ্রের ওপর চাপ বাড়াতেই আজ তৃণমূল সাংসদরা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসছেন। শুক্রবার দুপুর ১২টা নাগাদ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন তাঁরা।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।