সুর বদলে ফের কেন্দ্রের 'বন্ধু' তৃণমূল

Update: November 26, 2012 15:53 IST

এফডিআই ইস্যুতে নাটকীয় মোড়। কংগ্রেসকে স্বস্তি দিল তৃণমূল। অচলাবস্থা কাটাতে ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকে সংসদে এফডিআই নিয়ে আলোচনা চাইল তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটাভুটির কোনও দাবি তুলল না তারা। তৃণমূলের মত, কোন ধারায় এই আলোচনা হবে তা ঠিক করুন স্পিকারই। একই দাবি জানিয়েছে সমাজবাদী পার্টি ও আরেজডি। এফডিআই নিয়ে সর্বদল বৈঠক নিষ্ফলাই রইল। একশো চুরাশি ধারার বিপরীতে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি এবং বহুজন সমাজ পার্টি সরকারকে স্বস্তি দিলেও, ভোটাভুটির দাবিতে অনড় বাম এবং বিজেপি। তারা যে কোনওমতেই ওই দাবি থেকে সরে আসবে না, তা স্পষ্ট করে দেন দুই দলের নেতারাই।  ফলে দিনের শেষে  অধরাই থেকে গেল রফাসূত্র।

খুচরো ব্যবসায় ৫১ শতাংশ প্রত্যক্ষ বিদেশি লগ্নি চালু করতে তত্পর কেন্দ্র। বিষয়টি নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছতে সোমবার সর্বদল বৈঠক ডেকেছিল কংগ্রেস। সংসদের দুই কক্ষেই তৃতীয় দিনের অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যাওয়ার পর ওই বৈঠক  হয়। সমাজবাদী পার্টি প্রধান মুলায়ম সিং যাদব এদিন নিজে বৈঠকে হাজির ছিলেন না। দলের তরফে রেবতী রমণ সিং বৈঠকে প্রতিনিধিত্ব করেন। যদিও বৈঠক শুরুর আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন মুলায়ম। সূত্রের খবর, সমাজবাদী পার্টি যে ভোটাভুটিতে যাবে না, এবিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে ইঙ্গিত দেন তিনি। বৈঠকে তিন দলকে পাশে পেয়ে যায় কংগ্রেস। তৃণমূল কংগ্রেস, আরজেডি এবং বিএসপি জানিয়ে দেয়, এফডিআই নিয়ে আলোচনা চাইলেও ভোটাভুটি চায় না তাঁরা।

কিন্তু অবস্থানে অনড় প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। বৈঠক শেষে বেরিয়ে সুষমা স্বরাজ জানিয়ে দেন, এফডিআই নিয়ে একমাত্র একশো চুরাশি ধারাতেই আলোচনা চান তাঁরা।
একই সুর শোনা গিয়েছে বামেদের গলায়।

কিন্তু কোনওভাবেই ১৮৪ ধারায় আলোচনা ও ভোটাভুটি মানতে রাজি নয় কংগ্রেস। ফলে দুপক্ষের টানাপোড়েনে চলতি মরশুমে সংসদ কতদিন সচল থাকবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েই গেল। 







Post Your Comment

Total Comments:9

trinamul & congress dujane bandhu eta aste aste proman hoche

Nakshal ra 1970 e ekta kotha bolto sangsad holo Suwarer khowar,kothatar pratibad aneke korechilo takhan.Amra jara bamponthi tarao korechilam,kintu aaj sotti amne hoy eta suwrer khowari.Kotogulo asikhita,ardhasikhita lok aaj desher dada didi jara ektai kotha sudhu jane ``AKHER GOCHAO``..r trinamool samparke ami ekta kothai just bolbo..CPM r kichu opodartho netar opdarthotay aaj eder romroma.Jedin theke cpm cholte suru kore Bisleri r bottle dhari JNU brand brinda r praksh karat r hath dhore vangon ta suru sedin theke.Ami bahudin paschimbanger baire.Congress is seling the country..

Sudhu GIRGITIR rong paltai na,amader SORKAR-er(TMC)o rong paltai..........

Somersaulting is the special feature of Trinomul Congress. They have no ideology. It is usual for them to make alliance with anyone for their own interest.

Hind ta 1ta kotha acha ``Bina Pandi ka Lota`` Ara hochha Sai DAl(Party)

DHANDABAJ NATRI DHANDA CHARA UNI KICHU KOREN NA.NATUN KI DHANDAR JONYO DIGBAJI KHELEN TAR OPEKHYA RAHILAM

দারুন খবর।

  • kkkkk
  • Posted: 11/30/2012 5:42:57 PM

ma-mati-manush jindabad...ja korchen thik korchen

Je daler onasthe prostab janogan astakurete chhure felechhe sei dal akhon nijeder ostitto bojay rakhte sarkarer pase theke ki sadharon manuser birodhita korchhe na?

hahahaha.......oder obosthan ???? sheta ki ?

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।