সিপিআইএম নয় আক্রান্ত তৃণমূলই, বয়ানে গরমিল

সিপিআইএম নয় আক্রান্ত তৃণমূলই, বয়ানে গরমিল

সিপিআইএম নয় আক্রান্ত তৃণমূলই, বয়ানে গরমিলসিপিআইএম নয়, বামনঘাটায় তৃণমূল কর্মীরাই আক্রান্ত হয়েছেন। হামলা চালিয়েছে সিপিআইএম। গুলি চলেছে আরাবুল ইসলামকে লক্ষ্য করে। মহাকরণে দীর্ঘ বৈঠকের পরে সাংবাদিক সম্মেলনে এই অভিযোগ করলেন শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। 

বামনঘাটায় গিয়ে ২৪ ঘণ্টার প্রতিনিধি দেখেনপোড়া গাড়ির সারি। হাসপাতালে ভর্তি গুলিবিদ্ধ সিপিআইএম কর্মীরা। কিন্তু সে সম্পর্কে কোনও মন্তব্য নেই। মহাকরণে দীর্ঘ বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের সামনে বরং উল্টো কথাই শোনা গেছে শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের গলায়। তিনি অভিযোগ করেন, "সিপিআইএম সমর্থকেরাই অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়েছে আরাবুলের ওপর। আহত হওয়ায় আরাবুলকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। সিপিআইএম রাজ্যজুড়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি করছে"। মহাকরণে আজ আইনশৃঙ্খলা নিয়ে বৈঠকে হাজির ছিলেন পুলিস-প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তারা। অন্যদিকে নার্সিংহোমের বেডে শুয়ে আরাবুল ইসলামও দাবি করেছেন, বামনঘাটায় হামলা চালিয়েছে সশস্ত্র সিপিআইএম সমর্থকেরা। তাঁকে লক্ষ্য করে তিন-চার রাউন্ড গুলি চালানো হয়। ওই সময়ই গাড়ি থেকে পড়ে গিয়ে তাঁর বুকে আঘাত লাগে।
 
পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও আরাবুল ইসলামের বক্তব্য থেকে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে বামনঘাটায় কীভাবে আক্রান্ত হলেন তৃণমূল কর্মীরা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত তৃণমূলের কর্মীদের বয়ানে মিলেছে ভিন্ন ভিন্ন বিবরণ। এমনকী বয়ানে ফারাক মিলেছে মহাকরণেও। তিন মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাসকে পাশে নিয়ে শিল্পমন্ত্রী যা বললেন, তার সঙ্গে মেলেনি পরিবহণমন্ত্রীর বক্তব্যও।

আরাবুল ইসলাম ও ভাঙড়ের তৃণমূল নেতাদের মতোই শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বললেন আক্রমণ করেছে সিপিআইএম। আক্রান্ত তৃণমূল। কিন্তু পরিবহণমন্ত্রীর কথায় স্পষ্ট ফুটে উঠেছে আক্রান্ত সিপিআইএম। আক্রমণকারী তৃণমূল। বয়ানে কেন এই ফারাক? প্রশ্ন আছে। উত্তর নেই।
 







First Published: Tuesday, January 08, 2013, 23:38


comments powered by Disqus