আনসারিকে সমর্থন করতে পারে তৃণমূল

Update: August 5, 2012 17:30 IST

উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ইউপিএ প্রার্থী হামিদ আনসারিকে সমর্থন করতে পারে তৃণমূল। দলের অন্দরে খবর এমনই। আগামী কাল দিল্লিতে ইউপিএ শরিকদের মধ্যাহ্নভোজে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সোনিয়া গান্ধী। সেখানে উপস্থিত থাকছেন তৃণমূলের লোকসভার নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। মধ্যহ্নভোজে যাওয়ার জন্য তাঁকে নির্দেশ দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলের সব সাংসদকে দিল্লিতে থাকার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি।

আগামী মঙ্গলবার উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। ভোট দেবেন ৭৯০ জন সাংসদ। কংগ্রেসের দাবি, হামিদ আনসারির পক্ষে ৫০০ সাংসদের সমর্থন নিশ্চিত করে ফেলেছে তারা। অন্যদিকে, উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জসবন্ত সিংকে সমর্থন করছে জেডিইউ, শিবসেনা সহ এনডি-র সব শরিক দল। শেষ মুহূর্তে নবীন পট্টনায়েক ও জয়ললিতার সমর্থন আদায়েরও চেষ্টা করছে বিজেপি।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।