শরিক কংগ্রেসের পর এবার একা চলার ইঙ্গিত তৃণমূলেরও

Update: August 6, 2012 21:31 IST

২০১৪ লোকসভা ভোটে তৃণমূলের একা লড়ার ইঙ্গিত দিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ দিল্লিতে তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আগামী লোকসভা ভোটে একা লড়লে রাজ্যে ভালই ফল করবে তৃণমূল কংগ্রেস। সেইসঙ্গেই তিনি জানান, আগামী লোকসভা নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও যোগ্য প্রার্থী।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে সোমবার সোনিয়া গান্ধীর ডাকা মধ্যাহ্নভোজে হাজির হয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের দূরত্ব কতটা কমল, এই নিয়ে যখন দিল্লির রাজনৈতিকমহল আলোচনায় মশগুল, ঠিক তখনই দুহাজার চোদ্দর লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের একলা লড়ার ইঙ্গিত দিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।  

লোকসভা ভোটের এখনও দুবছর বাকি। তার আগেই কেন তৃণমূলের এই একা লড়ার ইঙ্গিত? রাজনৈতিকমহল মনে করছে, মূলত তিনটি কারণে এই ইঙ্গিত দিয়ে রাখল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল।

প্রথমত, বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাদল অধিবেশন। বেশ কিছু বিল নিয়ে কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের সংঘাত অনিবার্য। কংগ্রেসকে তৃণমূল বুঝিয়ে দিল, চরম পথেই হাঁটতে চলেছে তারা।

দ্বিতীয়ত, তৃণমূল মনে করে কংগ্রেস এখন ডুবন্ত জাহাজ। যতদিন যাবে কংগ্রেসের জনসমর্থন কমবে। কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের কারণে তার দায়ভার যাতে কিছুতেই তৃণমূলকে বহন করতে না হয়, তাই আগাম এই সতর্কতা।

তৃতীয় কারণ, কংগ্রেসকে আরও বেশ কিছুটা চাপে ফেলে দিতে চায় তৃণমূল কংগ্রেস। তাই বন্ধুত্ব ভেঙে একা লড়ার আগাম ইঙ্গিত।

রাজনৈতিকমহলের অবশ্য ধারণা, সম্প্রতি লালকৃষ্ণ আডবাণীর টুইটের একটি মন্তব্য উত্সাহিত করেছে তৃণমূল শিবিরকে। আডবাণীর দাবি, কংগ্রেস অথবা বিজেপি বাদ দিয়ে অন্য কেউ আগামী লোকসভা ভোটে প্রধানমন্ত্রী হতে পারে। তৃণমূল নেতৃত্বের বিশ্বাস, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা ক্রমশ উজ্জ্বল হচ্ছে। আর ঠিক সেকারণেই কংগ্রেসকে ছেড়ে একলা লড়ার ইঙ্গিত দিয়ে রাখলেন সুদীপবাবু।

Post Your Comment

Total Comments:4

Manus rate swpno dekhe jani kintu anera dekchhi diner belate-o...o swpno dekhen. Ata kichhu na sudhu new headline-a aser janoo a sab remaks.

jodi tor dak sune keu na ase re, tabe ekla cholo re.

This is not a news to me as TMC is the most Oppourtunist Party of India in modern India.We will not be surprised if Didi joins hands with BJP before next parliamentary elections.

Trinamul congress ar captain kono din pradhan montri hote parbe na.sudip babu salt khaya jai boluk na kano.abar central election a khub sombovoto B.J.P aste pare.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।