বিপর্যয়ের মুখে ভারত, লড়াই চালাচ্ছে পুজারা

Update: November 23, 2012 13:01 IST

ভারত- ১১৯/৫ (৪০.২ওভার)
চেতাশ্বর পুজারা- ৫৭
মহেন্দ্র সিং ধোনি-০

নিউটনের তৃতীয় সুত্রের মতো ওয়াংখেড়ের প্রসিদ্ধ স্পিনিং পিচ বুমেরাং হয়ে ফিরল ধোনিবাহিনীর কাছেই। আর এই কাজটা এখনও পর্যন্ত একাই সারলেন ভারতীয় বংশোদ্ভুত ব্রিটিশ অর্থোডক্স স্পিনার মন্টি পানেসর। ম্যাচের সকালে গৌতম গম্ভীর মাত্র ৪ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন। ম্যাচের প্রথম ওভারে অ্যান্ডারসনের বলে এল বি ডব্লিউ হন। কিন্তু সেওয়াগ ছিলেন পুরানো ছন্দে। তাঁর আজ তেমন কোনও তাড়াহুড়ো ছিল না। একশতম টেস্টে একটা নজিরবিহীন উপহার হয়ত দিতে চেয়েছিলেন ভারতবাসীকে। কিন্তু মন্টির লোভনীয় হাফভলি বলে `নজফগড়ের নবাব` ফ্লিক করতে গিয়ে বোল্ড হলেন। তখন তাঁর রান চারটে বাউন্ডারির বিনিময়ে ৩০। ফিরতে হল মাস্টার ব্লাস্টার সচিনকেও। সেই মন্টি পানেসর! এক অবর্ণনীয় বলে লিটল মাস্টার একটু হলেও থমকালেন। ক্রিকেটের ঈশ্বরকে আউট করতে গেলে ঐশ্বরিক ডেলিভারি দরকার। সেটাই ঘটল ধোনির পচ্ছন্দসই ওয়াংখেরের পিচে। মাত্র ৮ রানে তিনি ফিরলেন। চেতাশ্বর পুজারা এখনও মাটি আঁকড়ে লড়ে যাচ্ছেন। তিনি অর্ধশতরান করে ফের প্রমাণ করে দিলেন ব্যাটিং অর্ডারের গুরুত্বপূর্ণ তৃতীয় স্থানটি শুধুমাত্র তাঁর দখলে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১৯ রানে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নমুখী হয়েছেন বিরাট কোহলি। যুবরাজ কোনও রান না করে সোয়ানের বলে আউট হলেন।

এর আগে স্পিনের স্বর্গক্ষেত্র ওয়াংখেড়ে টস জিতে ব্যাটিং-এর সিদ্ধান্ত নেন ভারত অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। মাহীর বোলিং স্কোয়াডে স্পিনিং ট্র্যাকের সুবিধা নেওয়ার জন্য হাজির ৩ স্পিনার। ভারতের প্রথম ইনিংসের পর ওয়াংখেড়ের ভাঙা পিচে এই ৩ জনের বোলিং ম্যাজিকের উপর কিন্তু ভারতের জয় বেশ কিছুটা নির্ভরশীল।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।