লোকসভা ভোটে কংগ্রেসের নেতৃত্বে রাহুল, স্ট্র্যাটেজি আক্রমণ

Update: January 20, 2013 20:42 IST

জয়পুরে সহ সভাপতি পদে আনুষ্ঠানিক অভিষেক রাহুল গান্ধীর। আর জয়পুরের চিন্তন শিবির থেকেই কংগ্রেস হাইকমান্ড স্পষ্ট করে দিল ২০১৪ ভোটে রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে আক্রমণের পথেই হাঁটতে চলেছে তারা। জয়পুরেই আনুষ্ঠানিক অভিষেক হল রাহুল গান্ধীর।

 
কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির প্রস্তাবে রবিবারই সিলমোহর দিয়েছে এআইসিসি। সরকারিভাবে ঘোষণা না হলেও ২০১৪ লোকসভা ভোটে কংগ্রেস যে রাহুলের নেতৃত্বেই লড়বে তা স্পষ্ট। নেতৃত্বে রাহুল। লোকসভা ভোটকে পাখির চোখ করে আক্রমণাত্মক কংগ্রেস। সোনিয়া-মনমোহনরা জানেন, নেতৃত্বে রাহুলের অভিষেক দলের নেতা-কর্মীদের অক্সিজেন জোগাবে। সেই ভরসাতেই টানা তিন বার দিল্লির কুর্সি দখলের স্বপ্ন দেখছে নানা সঙ্কটে বেসামাল কংগ্রেস। 
 
 
ট্র্যাক রেকর্ড বলছে, ভোটযুদ্ধে এখনও তেমন সাফল্য দেখাতে পারেনি রাহুলের নেতৃত্ব। তবু সেই রাহুলেই কংগ্রেসের আস্থা রাখার বড় কারণ যে গান্ধী পরিবারকে ঘিরে দেশের মানুষের সীমাহীন আবেগ। সেই আবেগকে উস্কে দিয়েই নরেন্দ্র মোদীকে মোকাবিলার ঘুঁটি সাজাতে শুরু করে দিল সোনিয়া গান্ধীর কংগ্রেস।







Post Your Comment

Total Comments:5

First thanking to kajori pal who wrote about CONGRESS by her Comment on 1/21/2013 at 7:09:17 PM. Ans.:-Yes,probin—nobin—mohila akotrito hoye agami loksabha dalke ``GOURAVMAY`` korbe. AMI NAI SARA HINDUSTAN BOLBE ``RAHUL GANDHI WILL BE P.M. OF INDIA`` AMI JUST EK TI KARMI JE BHANGAR THEKE AGAMI DINE PRABIN-NABIN,GARIB-DHONI, SAKOLE MILE RAHULDAR HAT MAJBOOT KORBO.

Prabin fail hoye gelo..r Nabin pass hobe?

Poribar tontrer Mukute r o ekti palok Jukto holo

গাঁধি বিনা কংগ্রেস নেই,নেতা নেই,দেশ নেই।ভিখারী ভারতীয়ের অন্ন-বস্ত্র-শিক্ষা নেই, আছে রাহুল।আছে । ।আছে গান্ধী। জয়তু জনগন। স্বাধীনতা জিন্দাবাদ!

WELLCOME and thanking to UPA for choosing a ledar from GANDHI family. we are know that from today our party will be most powerfull-lovely-greatly. Thanks from our committee :- 1.Maruf Molla 2.Saikul Islam 3.Mujit Haldar 4.Ebrahim Molla and all member of O.B.C.Dept. and YUBA sell.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।