জাপানে সুনামির সতর্কবার্তা প্রত্যাহার

Update: March 14, 2012 16:32 IST

একবছর আগের সুনামির ভয়াবহ স্মৃতি ফিকে হওয়ার আগেই ফের সুনামির সতর্কবার্তা জারি জাপানে। বুধবার ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে জাপানের উত্তর-পূর্ব উপকূল। রিখটার স্কেলে ভূকম্পনের মাত্রা ছিল ৬.৮। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী প্রায় ৫০ সেন্টিমিটার উচ্চাতায় জলোচ্ছাস আছড়ে পড়তে পারে জাপানের উত্তর-পূর্ব উপকূলে। হোক্কাইডোর উত্তর ভাগের প্রায় ২১০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে কম্পন অনুভূত হওয়ার পরই সতর্কবার্তা জারি করা হয়। স্থানীয় সময় সন্ধ্যে ৬ টা ৪০ নাগাদ প্রথমবার জলোচ্ছাস আছড়ে পরার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছিল কিউসু আবহাওয়া দফতরের তরফে।

ঠিক একবছর আগে ২০১১-র ১১ মার্চ, দুপুর ২টো ৪৫ মিনিটে রিখটার স্কেলে ৯ মাত্রার কম্পনে প্রবল জলোচ্ছ্বাস নিয়ে সুনামি আছড়ে পড়েছিল জাপানের বুকে। ১৯,০০০-এর বেশি মানুষের মৃত্যুর সঙ্গে ঘটে গেছিল শতকের সবচেয়ে বড় পরমাণু বিপর্যয়। সুনামির জেরে ভেঙে পড়েছিল পরমাণু কেন্দ্র ফুকুশিমা দাইচির রিঅ্যাক্টর। সেখান থেকেই পরমাণু তেজষ্কৃয়তা ছড়িয়ে পড়েছিল সমুদ্রের জলে।








Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।