প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে জোড়া বিস্ফোরণ অসমে

Update: April 20, 2012 09:01 IST

প্রধানমন্ত্রীর সফরের ঠিক আগে পর পর দুটি বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল অসম। বৃহস্পতিবার রাতে দুটি বিস্ফোরণ হয় অসমের জোড়হাট এবং শিবসাগর জেলায়। জোড়হাটের কোলাখোয়ায় একটি বিদ্যুত্কেন্দ্রে বিস্ফোরণ হয়। শিবসাগরে বিস্ফোরণ হয় রেললাইনে। দু`টি ঘটনার কোনওটিতেই এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে শিবসাগরের বিস্ফোরণের ফলে তিনসুকিয়া-গুয়াহাটি লাইনে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। আজ প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের অসম সফরের আগে নিরাপত্তায়  মুড়ে ফেলা হয়েছে অসমকে। প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে ১২ ঘণ্টা বনধের ডাক দিয়েছে পরেশ বরুয়ার নেতৃত্বাধীন আলফার কট্টরপন্থী গোষ্ঠী। কেন্দ্রের সঙ্গে শান্তি আলোচনার বিরোধী ওই গোষ্ঠীই বিস্ফোরণের পিছনে রয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।