কুয়োয় পড়ে দুই শিশুর মৃত্যু, হাওড়ায় জলে পরে মৃত এক

Update: September 8, 2012 17:32 IST

কুয়োয় পড়ে মৃত্যু হল দুই শিশুর। দুর্গাপুরের নিউটাউনশিপ থানা এলাকার ঝর্ণা পল্লীতে এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শিশুদুটির বাবা পেশায় ভ্যান চালক, মা হাসপাতালের আয়ার কাজ করেন।

জানা গিয়েছে শনিবার সকালে দু`জনেই বেরিয়ে গেলে দাদুর কাছেই ছিল শিশুদুটি। কিন্তু অল্প সময়ের জন্য দাদু বাড়ির বাইরে যাওয়ায় শিশুদুটি খেলতে খেলতে বাড়ির পিছনের খোলা কুয়োর কাছে চলে আসে। দেড় বছরের  রুমা প্রথমে পড়ে যায়। তাকে দেখতে গিয়ে পড়ে যায় সাড়ে তিন বছরের রনিও। অনেক খোঁজাখুঁজির পর কুয়ো থেকে উদ্ধার হয় শিশুদুটির নিথর দেহ।  

অন্যদিকে সুইমিং পুলে ডুবে কিশোরের মৃত্যুর জেরে ব্যাপক ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় হাওড়ার সালকিয়ায়। শুক্রবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে। জানা গিয়েছে, বছর দশেকের অরিত্র কর দক্ষ সাঁতারু ছিল। সেক্ষেত্রে কীভাবে সুইমিং পুলে ডুবে তার মৃত্য হল, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছেন পরিবারের সদস্যরা।

সালকিয়া হিন্দু স্কুলের ছাত্র অরিত্রের মৃত্যু নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন সুইমিং পুল কর্তৃপক্ষ। তবে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রশিক্ষকদের গাফিলতির জেরেই মৃত্যু হয়েছে অরিত্রের। ঘটনার জেরে সুইমিং পুল ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে লাঠিও চালায় মালিপাঁচঘড়া থানার পুলিস। মৃত ছাত্রের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যেই তিনজনকে আটক করেছে পুলিস। পুলিসসূত্রে খবর ধৃত সকলেই সুইমিং পুল পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।