চাঁদের বুকে নাসার উপগ্রহ

Update: December 18, 2012 17:52 IST

অভিযান শেষে চাঁদের ওপর আছড়ে পড়ল নাসার জোড়া উপগ্রহ। উপগ্রহ দুটি `ইবিবি` এবং `ফ্লো` নামে পরিচিত। উপগ্রহ দুটি আছড়ে পড়লে চাঁদের ভুস্তরে ক্ষতির আশঙ্কার কারণে এই গোটা বিষয়টিই নিয়ন্ত্রণ করেছে নাসা। তিরিশ সেকেন্ডের ব্যবধানে `ইবিবি` এবং `ফ্লো` চাঁদের উত্তর মেরুতে একটি পাহাড়ের ওপর আছড়ে পরে। অভিযান শেষের আগে বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাঠিয়েছে ওই জোড়া উপগ্রহ। বিজ্ঞানীদের আশা এর থেকে চাঁদের উত্‍পত্তি সম্পর্কে বহু অজানা তথ্য জানা যাবে।

আয়তনে ওয়াশিং মেশিনের সমান। বিজ্ঞানীমহলে নাম গ্র্যাভিটি রিকোভারি এন্ড ইন্টেরিয়র ল্যাবোরেটরি বা গ্রেইল। নাসার বিজ্ঞানীরা অবশ্য রোবট পরিচালিত জোড়া উপগ্রহের নাম রেখেছিলেন `ইবিবি` আর `ফ্লো`। দুহাজার দশ সালের সেপ্টেম্বরে এই জোড়া উপগ্রহ চাঁদে পাঠিয়েছিল নাসা। উদ্দেশ্য, চাঁদের মাধ্যাকর্ষণের খতিয়ান তৈরি করা। প্রায় দুবছরেরও বেশি সময় ধরে সেই কাজটাই করেছে `ফ্লো` আর `ইবিবি`। এই জোড়া উপগ্রহ থেকে পাওয়া তথ্য মহাকাশ বিজ্ঞানের বহু প্রচলিত ধারনাই বদলে দিতে পারে।

অভিযান শেষে জোড়া উপগ্রহের জ্বালানি ফুরিয়ে এসেছিল। ফলে তাদের আর কক্ষপথে রাখা সম্ভব ছিল না। উপগ্রহ দুটি চাঁদের ওপর আছড়ে পড়তই। কিন্তু উপগ্রহ দুটি আচমকা পতনে চাঁদের ভুস্তরের ক্ষতি হতে পারে। তাই গোটা বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করেছে নাসা। তিরিশ সেকেন্ডের ব্যবধানে চাঁদের উত্তর মেরুর কাছে একটি পাহারের ওপর আছড়ে পরে `ইবিবি` আর `ফ্লো`। নাসার এই জোড়া উপগ্রহের পাঠানো তথ্য খতিয়ে দেখছেন বিজ্ঞানীরা। ইতিমধ্যে চাঁদের ভুস্তরের গঠন সম্পর্কে বহু অজানা তথ্য সামনে এসেছে। বিজ্ঞানীদের আশাচাঁদের পাশাপাশি পৃথিবী এবং সৌর জগতের অন্যান্য গ্রহ সম্পর্কেও বহু তথ্য মিলবে `ইবিবি` আর `ফ্লো` গবেষণার ফলে।

Post Your Comment

Total Comments:1

that day is very near, INDIA also do that.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।