অপরিবর্তিত আয়কর, অতিরিক্ত ধনীদের ১০% সারচার্জ

Update: February 28, 2013 14:37 IST

অপরিবর্তিত আয়কর, অতিরিক্ত ধনীদের ১০% সারচার্জ

২০১৩-২০১৪ আর্থিক বর্ষে সাধারণ করদাতা ও মহিলাদের নির্ধারিত আয়কর

বাৎসরিক আয় (টাকার অঙ্কে)                করের সীমা           
০-২,০০,০০০                                ০
২,০০,০০১-৫,০০,০০০                       ১০%
৫,০০,০০১-১০,০০,০০০                      ২০%
১০,০০,০০০ উর্দ্ধে                           ৩০%

বয়স্ক নাগরিকদের (৬০ থেকে ৮০ বছর অবধি) ক্ষেত্রে নির্ধারিত আয়কর

বাৎসরিক আয় (টাকার অঙ্কে)                 করের সীমা
০-২,৫০,০০০                                 ০     
২,৫০,০০১-৫,০০,০০০                        ১০%
৫,০০,০০১-১০,০০,০০০                       ২০% 
১০,০০,০০০ উর্দ্ধে                            ৩০%

অতি বয়স্ক নাগরিকদের (৮০ বছরের উর্দ্ধে)  ক্ষেত্রে নির্ধারিত আয়কর

বাৎসরিক আয়( টাকার অঙ্কে)                  করের সীমা
০- ৫,০০,০০০                                 ০
৫,০০,০০১-১০,০০,০০০                        ২০%
১০,০০,০০০ উর্দ্ধে                             ৩০%

যাঁদের বাৎসরিক আয় ৫ লক্ষ টাকার কম তাঁরা অতিরিক্ত ২,০০০ টাকার কর ছাড় পাবেন।
যাঁদের মাসিক আয় ১কোটি টাকার বেশি তাঁদের অতিরিক্ত ১০% কর দিতে হবে। 


ব্যক্তিগত কর

আয়কর স্ল্যাবে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না

অতিরিক্ত ধনিদের উপর সারচার্জ

যাঁদের কর যোগ্য আয় এক কোটি টাকার উপর ১০ শতাংশ সারচার্জ (এমন ব্যক্তির সংখ্যা সারা দেশে ৪২ হাজার ৮০০ জন।)

৫০ লক্ষের বেশি মূল্যের সম্পত্তি বিক্রির ক্ষেত্রে এক শতাংশ টিডিএস, কৃষি জমি বাদ

আয় ২ থেকে ৫ লক্ষ টাকা আয়ের ক্ষেত্রে ২০০০ টাকা কর ছাড়

প্রত্যক্ষ করের ক্ষেত্রে জিডিপি অনুপাত ৫.৫ শতাংশ

পরোক্ষ করের ক্ষেত্রে জিডিপি অনুপাত ৪.৫ শতাংশ

কর আদায় দৃঢ় করতে ট্যাক্স অ্যাডমিনিস্ট্রেশন রিফর্ম কমিশন আনা হবে

আমাদের জিডিপি অনুপাত খুব কম

কর-জিডিপি অনুপাত ১১.৯ শতাংশ করতে হবে

জাতীয় শিশু তহবিলে অর্থ দিলে ১০০ শতাংশ কর ছাড় পাওয়া যাবে

দীর্ঘমেয়াদী ইনফ্রা বন্ডেও কর ছাড়

গৃহঋণে অতিরিক্ত এক লক্ষ টাকা ছাড়

স্থাবর সম্পত্তির উপর টিডিএস

রুপি ইনফ্রাস্ট্র্যাকচর ফান্ডে কর ছাড় পাওয়া যাবে

শিক্ষায় সেস ৩ শতাংশ

বিদেশে সার্ভিসের রয়্যালটি উপর ট্যাক্স 10% বৃদ্ধি পায়

কর্পরেট ট্যাক্স

পন্য নয় এমন পরিষেবার উপর ০.১ শতাংশ সিটিটি

ডিডিটিতে দ্বিগুণ হল সারচার্জ

পরোক্ষ কর

অকৃষিজাত পন্যের সিডি অপরিবর্তিত

২০১৫ পর্যন্ত পরিবেশ পরিবেশ বান্ধব ছাড়

চামড়া এবং পন্য শুল্ক কমে হল ৫ শতাংশ

বিলাসবহুল গাড়ির উপর আমদানি শুল্ক ১০০ শতাংশ

ইয়ট শুল্ক ২৫ শতাংশ

বিলাসবহুল মোটরসাইকেলে ৭৫ শতাংশ শুল্ক

আবগারি শুল্ক ও পরিষেবা কর অপরিবর্তিত

১০ শতাংশের কাস্টমস শুল্ক অপরিবর্তিত

বিলাস বহুল গাড়ির উপর অতিরিক্ত কর

বিদেশ থেকে আনা গয়নার ক্ষেত্রে পুরুষেরা ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত এবং মহিলারা এক লক্ষ টাকা পর্যন্ত শুল্ক ছাড়

স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকল বা এসইউভির উপির শুল্ক ২৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করা হল

সেট টপ বক্সে শুল্ক বাড়বে

২০০০ টাকার বেশি মূল্যের মোবাইলে ৬ শতাংশ শুল্ক

এসি রেস্তোরাঁতে পরিষেবা কর বাড়বে

হস্তশিল্পের কার্পেটে শুল্ক ছাড়

সিগারেটে শুল্ক বাড়বে ১৮ শতাংশ

রেডিমেড পোশাকে শুল্ক কমবে







Post Your Comment

Total Comments:1

Hello every one...!!! Chidambaram is our real god. Who save our country man by his good economic policy. Through this policy poor refugee ^Bangaladesi-Pakastani people can be die slowly. Unfortunately they are all live in India and we accept it. They are all gathering anywhere for terrorist activity. But the day has come for refugee people should be dying or throw away from India for pain of hungry. In this way control or could be less population in India. পি চিতম্বারম আমাদের প্রকৃত ভগবান। যিনি আমাদের দেশকে তাঁর উত্তম অর্থনীতি দ্বারা রক্ষা করে। এই অর্থনীতির মাধ্যমেই গরীব উদ্বাস্তু বাংলাদেশী-পাকিস্থনি মানুষ ধিরে ধিরে মরবে। দুর্ভাগ্যবশত এরা সাবাই ভারতে বসবাস করে এবং মেনে নিয়ে ছি !! এরা সবাই যেখানে-সেখানে একত্রিত হয় সন্ত্রাসবাদী কাজকরমের জন্য। কিন্তু দিন এসেছে এদের খিদের জ্বালায় মরবে বা ভাতর ছেড়ে পালাবে। এভাবেই ভারতের জনসংখ্যা কমবে বা নিয়ন্ত্রন হবে। Thank you and Namaskaram.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।