ইয়াসিন মালিকের গ্রেফতারি, লক আপে মৃত্যু, ফের অশান্ত কাশ্মীর

Update: October 1, 2011 10:17 IST

আফজল গুরুর ফাঁসি রদের দাবিতে আন্দোলনে নেমে গ্রেফতার হলেন জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর লিবারেশন ফ্রন্টের চেয়ারম্যান ইয়াসিন মালিক। আর এই ঘটনা ঘিরে ফের উত্তেজনা ছড়াল
শ্রীনগরে। শুক্রবার বিকেলে রাজধানী শহরের মাইসুমা এলাকায় ২০০১-এর সংসদ হামলার মূল চক্রীর মৃত্যুদণ্ড বাতিলের দাবিতে একটি জনসভার আয়োজন করে জেকেএলএফ।
সংগঠনের প্রধান ইয়াসিন মালিক যোগ দেন এই সভায়। সভা থেকে মিছিল করে বাদশা চকের দিকে যাওয়ার সময় ইয়াসিন মালিক এবং তাঁর জনা পনের সমর্থককে আটক করে পুলিস।
এরপরই শ্রীনগরের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন জায়গায় পথ অবরোধ, ছোটখাটো হাঙ্গামার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাড়তি নিরাপত্তাবাহিনী
মোতায়েন করতে হয় প্রশাসনকে। অন্যদিকে অনন্তনাগ জেলার বিজবেহরায় পুলিশি হেপাজতে সইদ মহম্মদ ইউসুফ নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় উত্তেজনা ছড়ায় দক্ষিণ কাশ্মীরে। স্থানীয় মানুষের দাবি, ৫৫ বছরের সইদ মহম্মদ ইউসুফ শাসক ন্যাশনাল কনফারেন্সের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। অভিযোগ, রাজ্যের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নাসির আসলাম সঙ্গে বিরোধের কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।