অর্থনৈতিক সংস্কার: শরিকি সমালোচনার মুখে মনমোহন-চিদম্বরম

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইউপিএ থকে সরে আসার পর রাজনৈতিক আঁচ বুঝে নিতে বৃহস্পতিবার ইউপিএ`র সবকটি শরিকদলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। বৈঠক শেষে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সরকারের এই দুঃসময়ে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকারই আশ্বাস দিয়েছেন সকলে।

Updated: Sep 27, 2012, 03:36 PM IST

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইউপিএ থকে সরে আসার পর রাজনৈতিক আঁচ বুঝে নিতে বৃহস্পতিবার ইউপিএ`র সবকটি শরিকদলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। বৈঠক শেষে একটি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সরকারের এই দুঃসময়ে প্রধানমন্ত্রীর পাশে থাকারই আশ্বাস দিয়েছেন সকলে। কিন্তু ওয়াকিবহাল মহল সূত্রের খরব অন্য কথা বলছে। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রের অর্থনৈতিক সংস্কারের বিরোধিতায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন শরিক দলের নেতৃত্ব। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবেই তাঁদের নিশানা ছিলেন খোদ প্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী।
অর্থনৈতিক সংস্কারের বিরোধিতা করার পশাপাশি ডিজেলের দামবৃদ্ধি ও রান্নার গ্যাসে ভর্তুকি কমানোর বিরোধিতায় মুখর হয় বৈঠকে উপস্থিত প্রায় সব দল। ডিএমকে নেতা টি আর বালু পরিবার পিছু রান্নার গ্যাসের বরাদ্য সংখ্যা নিয়ন্ত্রিত করার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করার দাবি জানান। ডিএমকে যে কেন্দ্রের এই জনবিরোধী সিদ্ধান্ত সমর্থন করবে না, সেকথাও সাফ জানিয়ে দেন তিনি। প্রসঙ্গত, তৃণমূল কংগ্রেস ইউপিএ থেকে বেরিয়ে আসার পর ডিএমকেই ১৮ জন সাংসদ নিয়ে কেন্দ্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম শরিকের ভূমিকা পালন করছে।
অন্যদিকে, এনসিপির তরফে শরদ পাওয়ারও কেন্দ্রের মূল্যবৃদ্ধির রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বিশেষ করে রান্নার গ্যাসে ভর্তুকি কমানোর বিষয়ে পুণর্বিবেচনা করারও প্রস্তাব দেওয়া হয়ছে এনসিপির পক্ষ থেকে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে সরাসরি ভোট বাক্সে প্রভাব পড়বে বলে মনে করছে রাজনীতিবিদরা। তবে শরিক দলের প্রতিনিধিদের অসন্তোষের জেরে মনমোহন-চিদম্বরম তাঁদের সংস্কারপন্থী অবস্থান থেকে সরে আসবেন, এমনটা মনে করছেন না কেউই।