মোবাইল-মন্ত্রেই লোকসভা ভোটে বাজিমাত করতে চায় কংগ্রেস

Update: August 8, 2012 17:18 IST

`কংগ্রেসকা হাথ, আম আদমি কে সাথ`। ২০০৪ সালের লেকসভা ভোটে বিজেপি`র `ভারত উদয়` আর `ফিল গুড` স্লোগানের মোকাবিলা করতে আমজনতার প্রতি সুদীর্ঘ দায়বদ্ধতার ইতিহাসই তুলে ধরা হয়েছিল শতাব্দীপ্রাচীন রাজনৈতিক দলের তরফে। আর তাতে সাফল্যও এসেছিল হাতেনাতে।

কিন্তু পেট্রোপণ্যের ধারাবাহিক মূল্যবৃদ্ধি থেকে শুরু করে খাদ্যপণ্যের দামের লাগাতার উর্ধ্বগতি, সমস্ত ক্ষেত্রেই আম আদমির পকেটে টান পড়েছে দ্বিতীয় ইউপিএ-র জমানায়। এই পরিস্থিতিতে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনকে লক্ষ্য রেখে দেশের প্রতিটি নাগরিকের হাতে মোবাইল ফোন তুলে দেওয়ার অঙ্গীকার করতে চলেছে মনমোহন সরকার। ২৪ আকবর রোডের নীতি নির্ধারদের ধারণা, ২০০৯ সালের লোকসভা ভোটে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের সাফল্যের পর এই `হর হাথ পে মোবাইল ফোন` কর্মসূচি ফের স্ফীত করবে দলের ক্ষয়িষ্ণু ভোটব্যাংক।

অদূর ভবিষ্যতে চাল, ডাল, গমের সঙ্গে সঙ্গে বিপিএল কার্ডধারীদের মোবাইল ফোনও দেওয়া হতে পারে! দেওয়া হতে পারে, ২০০ মিনিটের ফ্রি লোকাল কলও! পিএমও সূত্রে খবর, আগামী ১৫ অগাস্ট লালকেল্লা থেকে দারিদ্রসীমার নীচে থাকা প্রান্তিক নাগরিকদের জন্য নয়া এই প্রকল্পের ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং স্বয়ং।

সঙ্গত কারণেই কংগ্রেস নেতৃত্বের এই পপুলিজম-এর রাজনীতিতে শঙ্কিত বিজেপি শিবির। শাসক দলের বিরুদ্ধে চমকের রাজনীতি করার অভিযোগ এনে বিজেপি মুখপাত্র বলবীর পুঞ্জের দাবি যে দেশের প্রতিটি ঘরে এখনও বিদ্যুত্‍ পৌঁছোয়নি, সেখানে মোবাইল পরিষেবা অপ্রয়োজনীয়। বিদ্যুত্‍ না পেলে গ্রামের দরিদ্র আম নাগরিকরা কী ভাবে মোবাইলে চার্জ দেবে, সে প্রশ্নও তুলেছেন তিনি। সেই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, ইউপিএ সরকারের এই প্রকল্প দেশের উর্ধ্বগামী অপরাধ লেখচিত্রকে আরও বাড়িয়ে দেবে।

Post Your Comment

Total Comments:1

upa2 hijra sarkar,na idhar ka na udhar ka bich bala.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।