উত্তরাখণ্ডে শপথ নিলেন না ১৮ কংগ্রেস বিধায়ক

Update: March 15, 2012 17:15 IST

দিল্লির রাজনীতিতে চূড়ান্ত টানাপোড়েনের মধ্যেই কংগ্রেসের জন্য খারাপ খবর এল দেরাদুন থেকে। এদিন রাজ্য বিধানসভায় প্রোটেম স্পিকারের কাছে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে গরহাজির রইলেন দলের ১৮ জন বিধায়ক। এঁদের প্রত্যেকেই সদ্য-পদত্যাগী কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হরিশ রাওয়াতের অনুগামী হিসেবে পরিচিত। এই ঘটনায় ফের প্রমাণিত হয়ে গেল ৩২ সদস্যের কংগ্রেস পরিষদীয় দলে মুখ্যমন্ত্রী বিজয় বহুগুণা অনেকটাই সংখ্যালঘু। উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার বিজয় বহুগুণার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন মাত্র ১০ জন কংগ্রেস বিধায়ক।


এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী পদে জোরাল দাবিদার হরিশ রাওয়াতকে বাগে আনতে ২৪ আকবর রোডের নীতি নির্ধারকরা জোরদার তত্‍পরতা শুরু করেছেন বলে রাজনৈতিক মহলের খবর। তাঁকে কেন্দ্রে ক্যাবিনেট মন্ত্রী করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে হাইকম্যান্ডের তরফে। সেই সঙ্গে হরিশের ঘনিষ্ঠ অনুগামী তথা গত বিধানসভার বিরোধী দলনেতা হরক সিং রাওয়াতকে উপমুখ্যমন্ত্রী করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ৭০ সদস্যের উত্তরাখণ্ড বিধানসভায় কংগ্রেসের ৩২ ও বিজেপি`র ৩১ জন বিধায়ক রয়েছেন। তা ছাড়া উত্তরাখণ্ড ক্রান্তি দলের ১, বহুজন সমাজ পার্টির ৩ এবং ৩ জন নির্দল বিধায়কের সমর্থন রয়েছে কংগ্রেসের দিকে। রাজ্যপাল মার্গারেট আলভা চলতি মাসের মধ্যে রাজ্য বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের নির্দেশ দিয়েছেন নব নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী বিজয় বহুগুণাকে।



Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।