`উত্তরাখণ্ডে মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়াতে পারে`

উত্তরাখণ্ডে শেষ পর্যায়ে উদ্ধারকাজ। হেলিকপ্টারগুলিও ফিরতে শুরু করেছে নিজের নিজের ঘাঁটিতে। মেঘ কাটছে হিমাচলের আকাশে। চারদিকে যেন শ্মশানের নিস্তব্ধতা। মৃতদেহ পোড়ানোর গন্ধ। ১৬ তারিখ রাতে প্রকৃতির ভায়াল রূপ দেখেছে দেবভূমি। প্রলঙ্কর হড়কাবানে নিশ্চিন্ন হয়েছে একেধিক পাহাড়ি গ্রাম। প্রকৃতির রোশের মুখে টেকা ভার।

Updated: Jun 29, 2013, 08:26 PM IST

উত্তরাখণ্ডে শেষ পর্যায়ে উদ্ধারকাজ। হেলিকপ্টারগুলিও ফিরতে শুরু করেছে নিজের নিজের ঘাঁটিতে। মেঘ কাটছে হিমাচলের আকাশে। চারদিকে যেন শ্মশানের নিস্তব্ধতা। মৃতদেহ পোড়ানোর গন্ধ। ১৬ তারিখ রাতে প্রকৃতির ভায়াল রূপ দেখেছে দেবভূমি। প্রলঙ্কর হড়কাবানে নিশ্চিন্ন হয়েছে একেধিক পাহাড়ি গ্রাম। প্রকৃতির রোশের মুখে টেকা ভার।
উত্তরাখণ্ডের প্রাকৃতিক বিপর্যয় নিয়ে রাজনৈতিক জলঘোলা হয়েছে বিস্তর। তেমনি মৃতের সংখ্যা নিয়ে টানা পোড়েনও কম হয়নি। খোদ রাজ্য বিধানসভার স্পিকারের হিসাব শুনলে ভয় পাওয়াই স্বাভাবিক। শনিবার অধ্যক্ষ গোবিন্দ সিং কুঞ্জওয়াল আশঙ্কা প্রকাশ করেন, মৃতের সংখ্যা ১০ হাজারের অঙ্ক ছাড়াতে পারে। তিনি বলেন, "গাড়োয়ালে যখন আমি যাই আমার ধারণা ছিল মৃতের সংখ্যা ৪০০০ থেকে ৫০০০এর মধ্যে হবে। কিন্তু এখন স্থানীয়দের কাছে থেকে যা শুনছি, তাতে মনে হচ্ছে সংখ্যাটা ১০ হাজার ছাড়াতে পারে।"
সংখ্যা নিয়ে কাঁটা ছেড়া চলছে সব প্রশাসনিক মহলেই। উদ্ধারকার্যে নিযুক্ত থাকা সংস্থাগুলির হিসাবের সঙ্গেও মিল পাওয়া যাচ্ছে না। বিপর্যয়ের ১৪ দিন পর রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় বহুগুনার মতে ১০০০ এর বেশি মানুষের মৃত্যু হয়নি। একমাত্র ধ্বংসস্তূপ পরিষ্কারের কাজ শেষ হলেই মৃতের সঠিক সংখ্যা জানা যাবে বলে জানিয়েছেন তিনি।