সন্ধে ৬টার পর উত্তরাখণ্ডে নিষিদ্ধ হল মেয়েদের কাজ

Update: January 12, 2013 23:25 IST

নারী সুরক্ষা `জোরদার` করতে উত্তরাখণ্ড রাজ্য সরকার সন্ধে ৬ টার পর সমস্ত সরকারি এবং বেসরকারি দফতরে মেয়েদের কাজ করা নিষিদ্ধ করল! পক্ষান্তরে সন্ধের পর মেয়েদের বাড়ির বাইরে বেরনোর উপর একপ্রকার ফতোয়া জারি করলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় বহুগুণা।

মেয়েদের উপর বেড়ে চলা নির্যাতন বন্ধের নামে বিজয় বহুগুনার কংগ্রেস সরকারের এই পদক্ষেপ ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি এই পদক্ষেপকে তালিবানি আখ্যা দিয়েছে।

দিল্লির গণধর্ষণ কাণ্ডের পর সারা দেশ প্রতিবাদে উত্তাল হয়েছে। দাবি উঠেছে আইন পরিবর্তনের। চেষ্টা চলছে নতুন আইন প্রণয়নের। দেশ জুড়ে এই প্রতিবাদের মধ্যেই ধর্ষণ রুখতে মেয়েদের কী ভূমিকা থাকা উচিত সেই নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন বেশ কিছু নামী-অনামী ব্যক্তি। সামগ্রিক সমাজ সচেতনা বৃদ্ধি, কড়া প্রশাসনের দাবি উঠছে যখন সমাজের বিভিন্ন স্তর থেকে। এই সময় মূল ব্যাধিকে জিইয়ে রেখে মেয়েদেরকে বাড়ির বাইরে থাকার সময়কে বেঁধে দেওয়ার মধ্যে অপরাধীদেরই পক্ষান্তরে উত্তরাখণ্ড সরকার ইন্ধন দিল কিনা তা নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠছে।

Post Your Comment

Total Comments:3

bhaba jai na....jekhane amra akdike narider odhikar nia boli opor dike tader ghore bondi kore rakhi...

চমৎকার ! নারী-স্বাধীনতা ! নারী নিরাপত্তা !! সূর্যাস্তের পর গৃহবন্দি !!

everybody should protest about such decision,try to give proper punishment otherwise it will rapidly increased the illegal activities

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।