উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শেষ

Update: August 7, 2012 09:53 IST

উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হল। যুযুধান দুই প্রার্থী ইউপিএ-র হামিদ আনসারি ও এনডিএ-র জসবন্ত সিং। সকাল ১০টা থেকে  বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলেছে ভোটদান পর্ব। সংসদের দুই কক্ষ মিলিয়ে মোট ভোটার ছিলেন ৭৮৮ জন সাংসদ। ভোট দিয়েছেন ৭৩৫ জন। হামিদ আনসারিকে সমর্থন করছে তৃণমূল-সহ ইউপিএ-র সব শরিক দল। বর্তমান উপ-রাষ্ট্রপতিকেই ফের সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজ পার্টি ও বামেরা।

অন্যদিকে, উপ-রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে নিজেদের একজোট রাখতে পেরেছে এনডিএ শিবির। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রণব মুখোপাধ্যায়কে ভোট দিলেও এবার জসবন্ত সিংকেই সমর্থনের কথা জানিয়েছে জেডিইউ এবং শিবসেনা। জসবন্ত সিংকে সমর্থন করছেন এআইএডিএমকে নেত্রী জয়ললিতাও। তবে, ভোটদানে বিরত থাকেন নবীন পট্টানায়েকের নেতৃত্বাধীন বিজু জনতা দলের লোকসভা ও রাজ্যসভা সাংসদরা। সংখ্যার হিসেবে এনডিএ প্রার্থীর তুলনায় এগিয়ে রয়েছেন ইউপিএ প্রার্থী। কংগ্রেসের দাবি, হামিদ আনসারির পক্ষে কমপক্ষে ৫০০ জন সাংসদের সমর্থন নিশ্চিত করে ফেলেছে তারা। সবমিলিয়ে পরিস্থিতির বিচারে দেশের চতুর্দশ উপ-রাষ্ট্রপতি হিসাবে হামিদ আনসারির জয় একরকম নিশ্চিত। সেক্ষেত্রে সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের পর হামিদ আনসারিই হবেন ভারতের দ্বিতীয় পুনর্নির্বাচিত উপরাষ্ট্রপতি।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।