অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জয় আজারেঙ্কার

Update: January 26, 2013 17:14 IST

`চিনা বিপ্লব` রুখে দিয়ে পরপর দুবার অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হলেন ভিক্টোরিয়া আজারেঙ্কা। শনিবার মহিলাদের সিঙ্গলসের ফাইনালে চিনের লি না কে হারিয়ে খেতাব জিতলেন শীর্ষ বাছাই বেলারুশের সুন্দরী এই টেনিস তারকা। প্রথম সেটে পিছিয়ে থেকেও দুরন্ত টেনিস খেলে অসি ওপেন জিতে নিলেন আজারেঙ্কা। ফাইনালে জিতলেন ৪-৬, ৬-৩, ৬-৩। দু দুবার চোট পেয়েও দারুণ লড়াই করেন ৩০ বছরের লি না।

 তবে মেলবোর্ন পার্ক জুড়ে আফশোস চিনের লি নাকে নিয়ে। দু দুবার চোটের কবলে পড়েও মাঠ না ছেড়ে দুরন্ত লড়াই করা চিনের লি না রড লেভার এরিনায় ট্র্যাজিক চরিত্র হয়ে থাকলেন। রানার্স ট্রফি হাতে দাঁড়িয়ে বিশ্বের ছয় নম্বর খেলোয়াড় লি না বললেন, "জানি বয়স হয়ে গেছে তবু পরের বার চ্যাম্পিয়ন হওয়ার চেষ্টা করব"। প্রতিযোগিতা শুরু আগেই অবশ্য লি'র স্বামী বলেছিলেন, তোমার বয়স হয়েছে আর খেলতে হবে না।"

প্রথম সেটে ৬-৪ ব্যবধানে প্রথম সেট জিতে নেন লি না। দ্বিতীয় সেটে গোড়ালিতে চোট পান চিনের এই খেলোয়াড়। চিকিতসার পর লি না কোর্টে ফিরে  এলেও,আজারেঙ্কার পাওয়ার টেনিসের সামনে হার মানতে হয় তাঁকে। ৬-৪ ব্যবধানে দ্বিতীয় সেট জিতে ম্যাচে কামব্যাক করেন আজারেঙ্কা। নির্ণায়ক সেটে ফের একবার গোড়ালিতে চোট পান লি না। অনেক কষ্টে এবারও কোর্টে ফিরে এলেও পুরনো ফর্মের ধারে কাছে ছিলেন না লি না। সহজেই নির্ণায়ক সেট জিতে খেতাব পকেটে পুরে নেন ভিক্টোরিয়া আজারেঙ্কা।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।