বিশ্বরূপম বিতর্ক: আদালতের দ্বারস্থ হলেন কমল

Update: January 24, 2013 12:38 IST

বিশ্বরূপমকে নিষিদ্ধ করায় জয়ললিতা সরকারের বিরুদ্ধে `সাংস্কৃতিক সন্ত্রাস` চালানোর অভিযোগ আনলেন অভিনেতা-পরিচালক কমল হাসান। এই নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে মাদ্রাস হাইকোর্টে মামলা দায়ের করলেন তিনি। এর আগেই সরকারের পক্ষ থেকে তামিলনাড়ুর সমস্ত জেলার সিনেমা হল মালিকদের মৌখিক ভাবে এই ছবির অগ্রিম বুকিং বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জয়ললিতা সরকারের পক্ষ থেকে। কয়েকটি মুসলিম সংগঠনের বিরোধিতায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর। সংগঠনগুলির দাবি, `মুসলিম বিরোধী` এই ছবি প্রদর্শিত হলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ক্ষুণ্ণ হয়ে পারে।

কমল হাসান অবশ্য এই দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার একটি চিঠিতে তিনি লেখেন, "এই ছবির সমর্থনে যাঁরা এগিয়ে এসেছে তাঁদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। তবে এই ছবি নিয়ে আমার মুসলিম ভাইদের ব্যাখ্যায় আমি শঙ্কিত।" তিনি আরও বলেন যে তিনি নিজে `হারমনি ইন্ডিয়া` নামে একটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত যাঁরা হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতির নিয়ে কাজ করেন। ক্ষুব্ধ হাসানের দাবি, তাঁকে বারবার নির্মম ভাবে রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে ব্যবহার করা হয়েছে।

কমল হাসানের ৯৫ কোটি টাকা বাজেটের এই ছবিটি আগামী শুক্রবার তামিলনাড়ুর ৫০০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল।

``বিশ্বরূপম``কে নিয়ে বিতর্ক অবশ্য নতুন নয়। এর আগে কমল হাসান ঠিক করেছিলেন ডিটিএইচ পদ্ধতিতে সরাসরি টেলিভিশনে এই সিনেমার প্রিমিয়ার করে সবাইকে চমকে দেবেন। কিন্তু সিনেমাহল মালিকদের তীব্র বিরোধিতায় সেই পরিকল্পনা বাতিল করতে বাধ্য হন তিনি।





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।