কর্নাটকে মুক্তি পাচ্ছে 'বিশ্বরূপম', কমলের পাশে রজনী

Update: January 25, 2013 15:11 IST

অনেক বিতর্কের পর অবশেষে রবিবার কর্নাটকে মুক্তি পাচ্ছে 'বিশ্বরূপম'। তবে তামিলনাড়ু ও অন্ধ্র প্রদেশে এখনও অনিশ্চিত এই ছবির ভবিষ্যত। আজই কেরালার প্রায় ৮০টি প্রেক্ষাগৃহে ছবিটি মুক্ত পেয়েছে। এই ঘটনায় বর্ষীয়ান অভিনেতা রজনীকান্তকে পাশে পেয়েছেন ছবিটির পরিচালক কমল হাসান।

ছবিটির মুক্তির জন্য নির্দিষ্ট পথ বের করতে মুসলিম সংগঠনগুলিকে অনুরোধ জানান রজনীকান্ত। ছবিটির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন বন্ধ করতেও আবেদন জানান তিনি। কমল হাসান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "কমল কোনও সাধারণ শিল্পী নন, তিনি তামিল চলচ্চিত্রকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে পারেন।"

গতকালই এক পিটিশনের ভিত্তিতে ২৮ জানুয়ারি পর্যন্ত তামিল নাড়ুতে ছবিটির প্রদর্শন বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে মাদ্রাজ হাই কোর্ট।

কমল হাসানের ৯৫ কোটি টাকা বাজেটের এই থ্রিলারটি আজ তামিলনাড়ুর ৫০০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল।






Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।