কর্ণাটকে মুক্তি পেল বিশ্বরূপম

Update: January 29, 2013 18:54 IST

অবশেষে কর্ণাটকে মুক্তি পেল কমল হাসানের বিতর্কিত ছবি বিশ্বরূপম। রাজ্য পুলিসের তরফ থেকে জানানো হয়েছে বিশ্বরূপমের প্রদর্শনের জন্য সবরকম নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার কর্ণাটকের ৪০টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে বিশ্বরূপম। কর্ণাটকের ডিস্ট্রবিউটর এইচ ডি গঙ্গারাজুর বক্তব্য অনুযায়ী, ব্যাঙ্গালোরের ১৭টি প্রেক্ষাগৃহে ম্যাটিনি শোয়ে মুক্তি পেয়েছে বিশ্বরূপম। যার মধ্যে প্রায় প্রতিটি শো হাউজফুল চলছে।

গঙ্গারাজু এ দিন সাংবাদিকদের বলেন, "কর্ণাটকের ইসলাম ধর্মাবলম্বী নেতাদের একটি দল ব্যাঙ্গালোরের পুলিস কমিশনার মিরজির কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন যাতে `মুসলমানরা সন্ত্রাসবাদী নয়` এই লাইনটা ছবিতে ঢোকানো হয়। ছবিতে ঢোকানো সম্ভব নয়, তাই আমি ক্রেডিটে লাইনটা ঢুকিয়ে দিয়েছি। পুলিস কমিশনার মিরজি গত ২৭ জানুয়ারি ছবিটা দেখেন(ওই দিনই বিশ্বরূপম কর্ণাটকে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল) এবং ছবিতে আপত্তিজনক কিছ নেই বলে মন্তব্য করেন"।

সারা বিশ্বে ২৫ জানুয়ারি মুক্তি পেয়েছে বিশ্বরূপম। মিলাদ-উন-নবির জন্মদিবস ও প্রজাতন্ত্র দিবসে অশান্তির আশঙ্কা করে কর্ণাটকে বিশ্বরূপমের মুক্তি স্থগিত রাখা হয়েছিল। তামিল নাড়ুতে বিশ্বরূপমের মুক্তির ওপর দু`সপ্তাহের নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।



Post Your Comment

Total Comments:2

এটা কি আর ৫ টা সিনেমার মত public demand বারান নয় কি? আমাদের মন কে এভাবে মাতিয়ে তুল্বেন না কমল মহাশয়

এটা কি আর ৫ টা সিনেমার মত public demand বারান নয় কি? আমাদের মন কে এভাবে মাতিয়ে তুল্বেন না কমল মহাশয়

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।