শ্রদ্ধায় পালন বিবেকানন্দের জন্মের সার্ধশতবর্ষ

Update: January 12, 2013 19:58 IST

নানা অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে জন্মের সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষ্যে স্বামী বিবেকানন্দকে আজ দিনভর শ্রদ্ধা জানালেন মানুষ। সিমলা স্ট্রিটে স্বামীজীর জন্মভিটেয় যায় প্রাক্তন রাজ্যপাল গোপালকৃষ্ণ গান্ধী, সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অসংখ্য সাধারণ মানুষ। গোলপার্ক থেকে নরেন্দ্রপুর পর্যন্ত শোভাযাত্রায় পা মেলান অনেকেই। সিমলা স্ট্রিটের এই বাড়িতেই শৈশব কেটেছে নরেন্দ্রনাথ দত্তের। বাবা বিশ্বনাথ দত্তের মৃত্যুর পর মা এবং ছোট ভাইদের রক্ষা করার জন্য নরেন্দ্রনাথের লড়াই শুরু এ বাড়ি থেকেই। অনেকদিন পর এই বাড়ি থেকেই একদিন  পৃথিবী জয়ের উদ্দেশ্যেই বেরিয়ে পড়েছিলেন বিশ্বপথিক স্বামী বিবেকানন্দ।
 
শনিবার সকাল থেকেই সিমলা স্ট্রিটের বাড়িতে ছিল ভিড়। প্রাক্তন রাজ্যপাল থেকে সাংসদ, স্কুল পড়ুয়া থেকে সাধারণ মানুষ,  যুগনায়ককে শ্রদ্ধা জানান সকলেই। এরপর শোভাযাত্রা বের হয় সিমলা স্ট্রিটের বাড়ি থেকে। স্বামী বিবেকানন্দর জন্ম সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে সকাল সাতটায় গোলপার্ক রামকৃষ্ণ মিশন থেকেও এক বিশেষ শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়। শোভাযাত্রা যায় নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন পর্যন্ত।

এছাড়াও বিভিন্ন ক্লাব এবং সংগঠনের তরফে শনিবার সারাদিন নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়। দক্ষিণ কলকাতার একডালিয়া এভারগ্রিন ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষ্যে নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনে শনিবার দিনভর বেশ কয়েকটি আধ্যাত্মিক এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
 

Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।