বেচাল রাজনীতিতে ইতিবাচক ছোঁয়া আনতে চান রাহুল

Update: January 23, 2013 19:20 IST

আনুষ্ঠানিক ভাবে কংগ্রেসের সহসভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করলেন রাহুল গান্ধী। কংগ্রেসের `নম্বর টু` হয়েই তাঁর গলায় রাজনীতিতে `ইতিবাচক` দিক টানার ইঙ্গিত পাওয়া গেল। দেশের রাজনৈতিক মেজাজ যে আশু খাতে বইছে না সেটা বেশ অনুধাবন করেছেন রাহুল। সেইসঙ্গে, কথায় কথায় বিরোধীদের সমালোচনা করা থেকেও তিনি বিরত থাকবেন বলে মন্তব্য করেছেন গান্ধী পরিবারের কনিষ্ঠতম নেতা।

বুধবার দিল্লির ২৪, আকবর রোডের বাড়িতে কংগ্রেসের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সরাসরি কোনও প্রশ্ন শুনতে চাননি রাহুল। তবে তিনি বলেন, "কংগ্রেসই পরিবর্তনের হাতিয়ার।" পরিবর্তন আনতে যুব সমাজকে আরও বেশি করে রাজনীতির আঙিনায় নিয়ে আসার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন রাহুল গান্ধী। তিনি আরও বলেন, "রাজনীতির পরিবেশ বাজে ভাবে দুষিত হচ্ছে। দেশের অগ্রগতিতে ইতিবাচক রাজনীতিকে এগিয়ে আনতে চাই।"

গুরু দায়িত্ব পাওয়ার পর নিজের দফতরে প্রথম দিন। ট্রেডমার্ক সাদা কুর্তা আর নীল জিন্সে আত্মবিশ্বাসটাই ধরা পড়ছিল সদ্য অভিষিক্ত সহসভাপতির মেজাজে। গত সপ্তাহেই জয়পুরে চিন্তন শিবিরে সহ সভাপতি মনোনীত হয়েছেন বছর ৪২-এর সাংসদ। ২০১৪-র লোকসভা ভোটের নির্বাচনী প্রচার সংক্রান্ত কমিটির পৌরোহিত্য করবেন রাহুল।

রাজীব গান্ধীর আকস্মিক মৃত্যুর পর না চাইতেও দলের রশি ধরতে হয়েছিল সোনিয়া গান্ধীকে। সোনিয়ার চৌখস অভিজ্ঞতা অনুধাবন করে `গ্রান্ড পার্টির` রাজ সিংহাসনে আজ কংগ্রেস রাজপুত্র। বিশ্লেষকরা মনে করছেন রাহুলের সহসভাপতি হওয়া মানে, সোনিয়া কংগ্রেসের রাহুল কংগ্রেসে পরিণত হওয়ার শুরু। কারও আবার মত, দলের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ আসনে রাহুল বসলেও কংগ্রেসের নম্বর ওয়ান সনিয়াই, নম্বর ওয়ান...





Post Your Comment

Total Comments:0
blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।