কলেজ নির্বাচনে স্থগিতাদেশ তুলল উচ্চশিক্ষা দফতর

Update: March 2, 2013 10:38 IST

বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজগুলিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এল রাজ্য সরকার। গতকাল রাতে উচ্চশিক্ষা দফতরের ওয়েবসাইটে একটি নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, যে সব কলেজে ছাত্র সংসদের সময়সীমা শেষ হয়েছে বা শেষ হতে চলেছে, সেই সব কলেজে বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজগুলিতে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এল রাজ্য সরকার।

গতকাল রাতে উচ্চশিক্ষা দফতরের ওয়েবসাইটে এই মর্মে একটি নির্দেশিকা দেওয়া হয়। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কলেজ কর্তৃপক্ষ চাইলে, তাঁদের নিয়ম মেনে ছাত্র সংসদের নির্বাচন করতে পারেন। অর্থাৎ এই নির্দেশিকা কার্যত যেসব কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল, তাঁদের নির্বাচন করার ছাড়পত্র দিচ্ছে। শুক্রবার বিকেলেই রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারদের কাছে এই নির্দেশিকার প্রতিলিপি পৌঁছে গেছে। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি উচ্চশিক্ষা দফতর ছ`মাসের জন্য রাজ্যের সব বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজে ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। সে সময় জারি করা ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং শান্তি বজায় রাখতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।






Post Your Comment

Total Comments:2

It reminds me of a Bengali Phrase ``Gadha Jal Khay Ghola Kore `` (Donkey of course drinks water but after making it muddy.)

SOIROTANTRIK monobhabaponno duskritir dol tmc...kothathekey INNOVATION berobe????...ultey dhorson, churi, chintai, rahajani, joccchuri (er maney ami nijei janina), khun.....arey murkher dol VIDYASAGAR MOHASOIK-e syllabus theke bad dili kaeno???...ekhanei toder sob sesh...bangalir baccha sobdoti dhora-choar bairey...taholey ki???????????? apnarai thik korun

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।