ক্রিসমাস ইভে জমিয়ে শীত

Update: December 24, 2012 22:22 IST

মেঘ কেটে ঝকঝকে রোদ ওঠায় সোমবার চুটিয়ে শীতের মজা উপভোগ করেন শহরবাসী। রবিবারের তুলনায় তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও ঠাণ্ডা ছিল পুরোমাত্রায়। আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আগামী ২৪ ঘণ্টায় খুব একটা হেরফের হবে না তাপমাত্রায়। তবে সকালের দিকে কুয়াশা থাকবে।

শহরবাসীর জন্য খুশির খবর। বড়দিনেও চুটিয়েও উপভোগ করা যাবে শীতের আমেজ। রবিবার দিনভর সূর্যের মুখ দেখেনি কলকাতা। তবে সোমবার ছবিটা বদলেছে। মেঘ কেটে যাওয়ায় শীতের মিঠে রোদ চুটিয়ে উপভোগ করেছেন মানুষজন। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় তাপমাত্রার তেমন পরিবর্তন হচ্ছে না বলে আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে।
 
সামনে বড় দিন। তার উপরে জমিয়ে শীত। সকাল থেকেই ভিক্টোরিয়া, চিড়িয়াখানায় ভিড় জমিয়েছিলেন মানুষ। বছর শেষে হিমেল হাওয়া আর মিঠে কড়া রদ্দুরে এখন শহর জুড়ে উত্সবের আমেজ।

Post Your Comment

Total Comments:1

MEGH KETE JOMIA SIT ANER JONYO MAMATA BANERJEEKE DANYABAD DEBEN KARON SANTA CLOGKE DIYE AI BABYASTA KORIACHEN.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।