ইতালিয় নাবিকদের প্রত্যাবর্তন নিয়ে ইউপিএ কী ভাবছে? প্রশ্ন মোদীর

Update: March 13, 2013 19:01 IST

কেরালার মৎস্যজীবী হত্যার মূল অভিযুক্ত দুই ইতালিয় নাবিককে ভারতে ফেরাতে কেন্দ্রীয় সরকার কোনও ব্যবস্থাই নেয়নি বলে অভিযোগ করলেন গুজরাত মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মোদী আজ টুইটারে এই কথা জানিয়েছেন। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের জবাব চেয়ে মোদী লিখেছেন, "ইতালিয় দুই নাবিককে দেশে ফেরাতে ইউপিএ কী ব্যবস্থা নিয়েছে, তা নিয়ে দেশবাসীকে জবাব দিক তাঁরা।"

কেরল উপকূলে দুই ভারতীয় মৎস্যজীবী হত্যায় অভিযুক্ত দুই নাবিক মাসিমিলিয়ানো লাতরি ও সালভাতরে গিরোনিকে নির্বাচনের জন্য দেশে যাওয়ার ছাড়পত্র দেয় ভারত। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের সঙ্গে আলোচনা করে ভারতে ফিরিয়ে দেওয়ার শর্তেই তাঁদেরকে ইতালি পাঠানো হয়েছিল। এই সমস্যার সমাধানে ইতালিয় সরকারও ভারতের সঙ্গে সহযোগিতা করছে না বলে জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক। কিন্তু তাঁদেরকে আর ভারতে ফেরাতে চাইছে না সে দেশের প্রশাসন।

ইতালির প্রত্যাখ্যানের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছে ভারত। বিদেশ সচিব মাথাই জানিয়েছেন, ধৃত দুই ইতালিয় নাবিককে ভারতের হাতে তুলে দিতে বাধ্য ইতালি। ধৃত দুই ইতালিয়কে ভারতে ফেরত না পাঠানোর যে সিদ্ধান্ত সে দেশের প্রশাসন নিয়েছে, তার তীব্র সমালোচনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংও। তিনি জানিয়েছিলেন ইতালির সরকারের এই প্রত্যাখ্যান `অগ্রহণযোগ্য`।

বাম এমপিদের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, তিনি বিদেশমন্ত্রী সলমন খুরশিদকে এই বিষয়টি নিয়ে ইতালির সঙ্গে আলোচনার নির্দেশ দিয়েছেন।

Post Your Comment

Total Comments:1

ভারতের সুর চড়িয়ে লাভ নেই। ওদের ছেড়ে দেওয়াই হয়েছে। এখন লোক দেখান কথা! ওদেশে কি পোষ্টাল ব্যালট নেই? দুজন ভোট না দিলে কি হয়? কজন ভারতীয় নাগরিক জেলে বন্দি অবস্থায় ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে? ভারত সরকার কি এই যুক্তিগুল জানে না? সব জানে, এবং জেনেও ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।