বেঙ্গল লিডস: কিন্তু কোন দিকে?

Update: January 15, 2013 18:32 IST

শুরু হয়ে গেল বেঙ্গল লিডস।  শিল্প সম্মেলনে প্রভাব ফেলল রাজনীতিও। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় তোপ দাগলেন বিরোধী ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। সম্মেলনে  শিল্পপতিদের উপস্থিতিতে সন্তুষ্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সম্মেলনে যোগ দেওয়ার জন্য শিল্পপতিদের ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি। শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, শিল্প মহলে ভালই সাড়া জাগিয়েছে বেঙ্গল লিডস।

নতুন মোড়কে পুরনো প্রকল্প। বেঙ্গল লিডসের শুরুতে যেসব প্রকল্পের কথা ঘোষণা করলেন শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, তার নির্যাস এটাই। দুর্গাপুরে বিমানবন্দর ও শিল্পনগরী, কল্যাণীতে ট্রিপল আইটি সংস্থা, কিংবা হলদিয়াকে আন্তর্জাতিক মানের শিল্পনগরী হিসেবে গড়ে তোলা, এসব প্রকল্পই বাম আমলে ঘোষিত।  আজ সেগুলিকেই রাজ্য সরকারের প্রকল্প বলে ঘোষণা করলেন শিল্পমন্ত্রী।

রাজ্য সরকারের উদ্যোগে হলদিয়ায় বেঙ্গল লিডস ভালই সাড়া জাগিয়েছে শিল্প মহলে। দাবি করলেন শিল্পমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই হাজির হয়েছেন ছোট,বড় ও মাঝারি শিল্পের প্রতিনিধিরা। বিনিয়োগের লক্ষ্যে এসেছেন বিদেশি সংস্থার কর্তারাও। কনসুলেটগুলির প্রতিনিধিদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মত। শিল্প সম্মেলন শুরুর ঠিক আগেই একথা জানিয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

বড় শিল্পপতিদের অনুপস্থিতিতে শুরুটেই কিছুটা ম্লান রাজ্যের শীর্ষ শিল্প সম্মেলন বেঙ্গল লিডস। তবে এই অভিযোগ মানতে নারাজ শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। সম্মেলনের শুরুর আগে তাঁর আশ্বাস, রাজ্যে বড় বিনিয়োগ আসবে রাশিয়া, জার্মানি ও সিঙ্গাপুর থেকে। তাঁর দাবি, বেঙ্গল লিডসের হাত ধরে বিনিয়োগ আসার সম্ভাবনা রয়েছে খনি, লৌহ-ইস্পাত এবং জাহাজ নির্মাণ ক্ষেত্রে। বেঙ্গল লিডস সম্মেলনে জাতীয়স্তরের পাঁচশোজন শিল্পপতি ও শিল্পসংস্থার কর্তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তার মধ্যে মাত্র পয়ষট্টিজন বেঙ্গল লিডসে উপস্থিত থাকতে পারেন। এদের অধিকাংশই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার প্রতিনিধি। বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের সংখ্যা খুবই কম। তবে শিল্প সম্মেলনের সামনে এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন দুটি। রাজ্য সরকারের জমি নীতি এবং বেড়ে চলা রাজনৈতিক হিংসার জেরে রাজ্যের সামগ্রিক ভাবমূর্তি। সম্মেলন শুরুর আগে শিল্পমন্ত্রীর বক্তব্য, রাজ্যের স্পষ্ট জমি নীতি রয়েছে। বিরোধীরা অহেতুক জমিকে ইস্যু করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।






Post Your Comment

Total Comments:7

singur theke nano chole gelo sanande ....tahole BJP okhane keno here gelo...jara akhane comment korche tara jadi kichu bolen tahole valo hoi..

Land acquisition, Law and Order ,communication and the industrial environments are the hindrances for establishing new industries.

dear CM bengal leads er stage e silpa patira asbe na,silpider niye ganer asar niye base jaan.

`Bengal Leads` to DESTRUCTION!

There is no question of leading but trailing. Mamata Banerjee brings us to the track of trailing. Why do we not getting behind where there is a Chief Minister who does not know the difference between ``art` and ``industry``? Moreover there are some flatterers and mimickers who always try to become ``spineless yes man`` to the symbol of honesty. All the ministers including the Chief are just playing a drama before us. It is extreme useless and unworthy Govt.After 18 months we have no more expectation from them.

``INDIA MOVES ON TO NATION`` by Rajib Ghandhism & ``BENGAL LEADS`` by Trinamul Congrss`s MA-MATI_-MANUNSHISM. IT IS EVIDENT THAT THESE ``ISMS`` ARE VIABLE TO EXPLOIT PEOPLE. BJP DEMANDS THEY ARE THE LARGEST OPPONENT AND SUSHAMA SWARAJ CLAIMS THE RETALIATION BY KILLING HUMAN. IN BENGAL , I MUST HAVE THE RIGHT AND COURAGE TO FACE THE DEVOTEES WHO COLLECTED MONEY IN THE NAME OF ``RAM`S TEMPLE``.WHERE IS THAT RAM TEMPLE? WHERE ARE THAT HUGE AMOUNT OF MONEY GONE,EVEN THOSE OF GOLDEN BRICKS COLLECTED IN THE NAME OF RAM LORD BY ADBANI`S RAM RATH ? A CRIMINAL OFFENCE AGAINST HUMAN BEING. A TROOP OF ALL-TOGETHER TO CHEAT INDIA`S FREEDOM & CULTURE. MR. BJP & THEIR RAM`S SONS I CLAIM REFUND OF SUBSCRIPTION FOR ``RAM RATH``. GOOD OPERA ``DEMOCRACY``.

কলা চাষ খুদ্র শিল্প কিন্তু শিল্পকলা হিসাবে বড় ।

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।