আসছে শীত

Update: November 9, 2012 10:23 IST

নীলমের আর্দ্র প্রভাব কাটিয়ে এবার রাজ্যে শীতের হাতছানি। উত্তরবঙ্গে ইতিমধ্যেই শীতের সূচক হাজির। দক্ষিণবঙ্গেও শীতের পোশাক নামতে শুরু করেছে। নামতে শুরু করেছে রাতের তাপমাত্রা।

আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, শনিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গে মিলবে শীতের আমেজ। আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে, ঘূর্ণাবর্ত সরে গিয়ে আগামিকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার হবে। দেখা দেবে রোদ্দুর। এরফলে নেমে যাবে  রাত ও সকালের তাপমাত্রা। 

আগামী ৪৮ ঘন্টায় কলকাতার তাপমাত্রা ২০ থেকে ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে থাকবে।  

Post Your Comment

Total Comments:4

I LOVE WINTER,I AM WAITING FOR THIS SEASON FOR LONG TIME WHILE.

I LOVE WINTER,I AM WAITING FOR THIS SEASON FOR LONG TIME WHILE.

I LOVE WINTER,I AM WAITING FOR THIS SEASON FOR LONG TIME WHILE.

I LOVE WINTER,I AM WAITING FOR THIS SEASON FOR LONG TIME WHILE.

blog-img আজ যদি চেতনার মাঝে পড়ে আছে লাশ... বহুদিন আগের লেখা একটি লাইন আবারও ধাক্কা মেরে গেল। একটু অন্য পরিসরে। নিউ গড়িয়ার, ঢালুয়া গমকল মোড় আমাদের সবাইকে এনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। সামনে অসংখ্য প্রশ্নমালা। ডাইনে মোরাম বিছানো হতবাক্ সরুগলি। সুদীপ্তর বাড়ির রাস্তা। রাস্তার শেষপ্রান্তে সুদীপ্তদের বাড়ি 'সরগম'। সেখানে প্রায় প্রলাপের মত জেগে রয়েছেন এক বৃদ্ধ। অভ্যাস, অস্বস্তি আর হাপড় টেনে বেঁচে থাকতে চেয়ে বেহালায় ছর টানছেন। স্বরলিপি লেখা কাগজগুলো মাঝে মধ্যেই এলোমেলো হয়ে পড়ছে। যেভাবে মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটের পর থেকে সবটাই যেন কেমন এলোমেলো হয়ে গেছে এই চৌষট্টি বছরের অশক্ত মানুষটির। প্রলাপ। একমাত্র প্রলাপ বলাটাই প্রণব কুমার গুপ্তের সঙ্গে এখন মানায়। সদ্যপ্রয়াত ছেলের কথা বলতে বলতেই বলছেন, "ভায়োলিনটাই এখন আঁকড়ে ধরতে চাইছি, আচ্ছা কী মনে হয় বলুন তো, আবার বাজাতে পারবো তো?" প্রলাপের মত বলে চলা, জলজ্যান্ত প্রলাপের মতই তিনতলা বাড়িটার ওপর নিচ হাতড়ে বেড়ানো। এই সিঁড়িগুলোর বাঁকে যদি একবার দেখা হয়ে যায় তার তেইশ বছরের হারিয়ে যাওয়া ছেলেটার সঙ্গে। তাইতো কথা বলতে বলতেই হঠাত্‍ বলে উঠছেন, "একটু দাঁড়ান আসছি।" আলো আঁধারিতে সিঁড়ি ভাঙছেন সুদীপ্ত গুপ্তর বাবা। যেভাবে জীবনর এতগুলো সিঁড়িগুলো পেরিয়ে এসে হঠাত্‍ই যেন ওঁর মনে হচ্ছে সব সিঁড়িই কেমন যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে। বেহালার কাছে ফিরতে চাইছেন প্রণববাবু। পালিয়ে যেতে চাইছেন। পালিয়ে যাওয়ার যে কোনও সিঁড়ি নেই সামনে।