তৃণমূলের অনাস্থা প্রস্তাব খারিজ, দিনের মত মুলতুবি সংসদ

Last Updated: Thursday, November 22, 2012 - 08:54

শীতকালিন অধিবেশনের প্রথম দিনই খারিজ হয়ে গেল তৃণমূলের আনা অনাস্থা প্রস্তাব। অনাস্থা আনতে চেয়ে লোকসভা অধ্যক্ষের দফতরে নোটিশ দিয়ে আসেন সুদীপ বন্দোপাধ্যায়। বিরোধীদের প্রবল চাপে বেলা ১২.৩০ টার পরেই মুলতুবি হয়ে গেল লোকসভা। অধিবেশনের শুরুতেই  সংসদের দুই কক্ষেই তুমুল হট্টগোল শুরু হয়ে যায়। উত্তর প্রদেশের রাজনীতি নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করে সপা-বিএসপি। ওয়েলে নেমে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে এই দু'দলের সাংসদরা। বেলা ১২.৩০টা অবধি মুলতুবি রাখা হয়েছিল লোকসভা। দিনের মত মুলতুবি হয়ে যায় রাজ্যসভা। প্রথম দফায় স্থগিত থাকার পর আবার ১২.৩০ টায় সংসদ শুরু হলে আবআর উত্তাল হয় সংসদ। আনাস্থা প্রস্তাব খারিজ করেই আজকের মত মুলতুবি করা হয় লোকসভাকে।  অনাস্থার জন্য নূন্যতম ৫০ জন সাংসদের প্রয়োজন ছিল। কিন্তু তৃণমূলের ১৯ ও বিজেডির ৩ জন সাংসদ নিয়ে মোট ২২ জন সাংসদ। স্বভাবতই প্রয়োজনীয় সংখ্যা ও সমর্থন না থাকায় খারিজ হল তৃণমূলের অনাস্থা প্রস্তাব। এমনকি পাশে পেলেন না জয়ললিতার দলকেও। প্রস্তাব খারিজ হয়ে যাওয়ার ফলে কার্যত একঘরে হয়ে গেল তৃণমূল।
এফডিআই, পেনশন বিল, জ্বালানি ও দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধি সহ একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্রকে কোণঠাসা করতে তৈরি ছিল বিরোধী শিবির। লোকসভার স্পিকার মীরা কুমারের ডাকা সর্বদল বৈঠকেও এফডিআই নিয়ে জট কাটেনি। এই অবস্থায় সংসদ সচল রাখতে আজ বিজেপির ৩ শীর্ষনেতাকে নৈশভোজে আমন্ত্রণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
এফডিআই নিয়ে  নিজেদের অবস্থানে প্রথম থেকেই অনড় ছিল তৃণমূল।  তবে, তৃণমূল কাউকে পাশে না পাওয়ায় তাদের নিয়ে তেমন চিন্তিত ছিল না কংগ্রেস। এফডিআই ইস্যুতে বাম, বিজেপি একসুরে ভোটাভুটি-সহ আলোচনার দাবি তুললে অবশ্য সংসদে বিব্রত হতে হয় সরকারকে। এফডিআইয়ের বিরোধিতায় আজ সংসদ ভবনের সামনে বেলা ১০.৩০ ধরনায় বসেছিলেন তৃণমূল সাংসদরা। এই অধিবেশনে অন্তত ২৫টি বিল পাস করানোর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকারপক্ষ। গত দুটি অধিবেশনের মতো এবারও সংসদ পণ্ড হলে এই উদ্যোগ পুরোপুরি ভেস্তে যাবে।  



First Published: Thursday, November 22, 2012 - 13:10


comments powered by Disqus